এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : আপনি যত সাহসীই হোন না কেন, একদম কাছ দিয়ে একটা জলজ্যান্ত সাপ গেলে স্থির থাকতে পারবেন? মনে হয় না। এই ভয়ংকর প্রাণীটাকে দেখলে এমনিতেই গা শিউরে ওঠে। সামনে দিয়ে গেলেই দৌড় দিতে মন চায়। কিন্তু ইউএস আর্মি ন্যাশনাল গার্ডের এক স্নাইপারের ক্ষেত্রে বিষয়টা ভিন্ন।
ওপরে যে ছবিটি দেখছেন তা কোনো সিনেমার দৃশ্য নয়। একেবারে বাস্তব। ছবিটি দেখলে গায়ের রোম দাঁড়িয়ে যায়। এক পেশাদার স্নাইপার তার দায়িত্ব পালন করছেন। হলিউডি মুভির বদৌলতে ইতিমধ্যে স্নাইপার সম্পর্কে ধারণা হয়েছে।
এদের স্নায়ু থাকে পাথরের মতো। বিন্দুমাত্র নড়াচড়া ছাড়াই ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাইফেলের টেলিস্কোপে চোখ রাখার প্রশিক্ষণ রয়েছে তাদের। এর চাক্ষুস প্রমাণ মিলল এই ছবিতে। একেই বলে স্নাইপার! এপ্রিলের ১২ তারিখে ছবিটি তুলতে সক্ষম হয় আলাবামা ন্যাশনাল গার্ড। দারুণ এক ছবি! প্রকাশের পর ভাইরাল হয়ে গেছে।
এখন এই ছবিটি সেনা নিয়োগ বা প্রশিক্ষণে তাদের উৎসাহ প্রদানে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রকৃতির সঙ্গে মিশে রাইফেল নিয়ে শুয়ে রয়েছেন এক স্নাইপার। তার অস্ত্রের নলের ওপর দিয়ে কিলবিল করে চলে যাচ্ছে একটা সাপ। কিন্তু স্নাইপারের কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। সে ঠিকই চোখ রেখে শত্রু খুঁজছে। একেই বলে পেশাদার স্নাইপার।
ইউএস ন্যাশনাল গার্ডের এই স্নাইপারের নাম উইলিয়াম স্নাইডার। তিনি একটি জঙ্গলে ক্যামোফ্লেজ নিয়ে শুটির প্র্যাকটিস চালাচ্ছিলেন। এপ্রিলের ৭ তারিখে ১-১৭৩ ইনফ্যান্ট্রির এই প্রশিক্ষণ সেশন শুরু হয়। তার এই ছবিটি অন্যান্য স্নাইপারের জন্যে আরো উৎসাহব্যঞ্জক হয়ে উঠেছে। এটা তাদের গর্বের প্রতীক।
তাদের বলছেন, আমাদের স্নাইপাররা ঠিক এমন প্রশিক্ষণই পায় যেমনটা স্পষ্ট হয়েছে এই ছবিতে। বনে-বাদারে তারা অনায়াসে লুকিয়ে তাকে। শত্রুর চোখ তাদের দেখা পায় না। এমনকি বনের প্রাণীটাও বুঝতে পারে না।
ছবিটি দেখে অনেকেই যার যার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। একজন বলেছেন, আমি সাহসী। কিন্তু এমনটা হলে একলাফে সরে যেতাম। কেউ বলছেন, এটা অসম্ভব স্নায়বিক শক্তির দরকার। আবার একজন বলেছেন, যারা এমন কাজ করে চলেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
সূত্র : এনডিটিভি
এমটিনিউজ২৪/এম.জে/ এস