এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : মাত্র ১৫ বছর বয়সেই জোর করে বাংলাদেশে নিয়ে এসে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল আমেরিকার এই গ্ল্যামকন্যাকে। আর তারপর থেকেই প্রতি রাতেই স্বামীর কাছে ধর্ষণের শিকার হন তিনি। যে স্বামীর বয়স ছিল তার বয়সের দ্বিগুণ।
এভাবে প্রতিরাতে ধর্ষণের জেরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন তিনি। সেই সময় স্বামীই তাকে আবার জোর করে আমেরিকার বাড়িতে রেখে আসেন। সন্তানের জন্মের পর অবশেষে তিনি মুক্তি পেয়েছিলেন সেই নরপিশাচের থেকে। তারপর গড়িয়েছে অনেক জল।
সম্প্রতি ডেইলি মেইলের এক সাক্ষাৎকারে নিজের অতীত জীবনের কথা বললেন রুবি ম্যারি। সেখানেই রুবি বলেন, 'তখন প্রতিটা রাতই ছিল দুঃস্বপ্নের। একদিন বাড়ির সকলে মিলে একসঙ্গে রাতের খাওয়া খাচ্ছিলেন। তার স্বামীও সেই সময় উপস্থিত ছিলেন। খেতে বসে তার বাবা বললেন তোমায় বাংলাদেশ যেতে হবে। বিয়ে করতে হবে। তার পরদিনই শুরু হয়ে যায় বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান। আমি তখন কিছুই বুঝতে পারিনি, কেন এগুলো আমার সঙ্গে করা হচ্ছে। আমাকে দাসীর মতো ব্যবহার করা হত।'
সাক্ষাৎকারে তিনি যখন এই কথাগুলি বলছিলেন, তখন তাঁর মা পাশে বসে। রুবির মা বলেন,' আমার পুতুলের মতো মেয়েটাকে জোর করে সাজিয়ে বিয়ে দেওয়া হল। অথচ আমি কিছুই করতে পারলাম না।'
রুবি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। স্বাভাবিক ভাবেই এত কম বয়সে মা হওয়ার কারণে তার সন্তান ছিল অপরিণত এবং জড়বুদ্ধিসম্পন্ন। জন্মের কিছুদিন পরই সে মারা যায়। আর কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার কারণে স্বামী তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন।
২০১৬ এবং ২০১৭ সালে তিনি আমেরিকার দুটি সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন এবং মিস গ্যালাক্সি ও মিস ইউনাইটেড কিংডম আর্থ খেতাব জেতেন। সূত্র : এই সময়