আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তিন একর জায়গা জুড়ে বিশাল কমপ্লেক্স, নাম মার্কাজ সুভানাল্লা। এই বিশাল কমপ্লেক্সে ৬০০ ক্যাডারের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। যেখানে রয়েছে অত্যাধুনিক জিম এবং সুইমিং পুল। বিলাসবহুল এই কমপ্লেক্সটি বানাতে তিন বছর সময় লাগে মাসুদ আজহারের।
২০১২ থেকে শুরু হয়ে ২০১৫ সালে গিয়ে সম্পূর্ণ হয় এর কাজ। এটি পাকিস্তানে পাঞ্জাব প্রদেশের নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের হেড কোয়ার্টার। যার বিলাসবহুল আয়োজন দেখলে মাথা ঘুরে যায়।
পাকিস্তানের পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুরের এই জইশ হেড কোয়ার্টার তিন একর জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এখানেই থাকে জইশ প্রধান মাসুদ আজহার ও তার ভাইরা।
এই বিশাল কমপ্লেক্সে ৬০০ ক্যাডারের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। যেখানে রয়েছে অত্যাধুনিক জিম এবং সুইমিং পুল। বিলাসবহুল এই কমপ্লেক্সটি বানাতে তিন বছর সময় লাগে মাসুদ আজহারের।
এর জন্য অর্থ সাহায্য করেছিল পাকিস্তান সরকার। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং ইউকে থেকেও অর্থ সংগ্রহ করে আজহার। বাহাওয়ালপুর কমপ্লেক্সই জইশ সদস্যদের এন্ট্রি গেট।
এখান থেকে বালাকোটের শিবিরে সন্ত্রাসবাদী প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয়। এই কমপ্লেক্সের নাম মার্কাজ সুভানাল্লা। জইশ-এর উচ্চপদস্থ নেতারা এখানে বৈঠকে বসে। প্রতি শুক্রবার মাসুদ আজহারের ভাই মুফতি আবদুল রউফ আজগর বা অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জিহাদে যেতে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করে ভাষণ দেন।