বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০১৯, ০৪:৩৯:৩৭

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্নের উত্থানের গল্প

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্নের উত্থানের গল্প

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : জাসিন্ডা আরডার্ন, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থেকে তিনি এখন পরিণত হয়েছেন বিশ্বকে শান্তির পথে নেতৃত্ব দেয়ার দূত হিসেবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক তার উত্থানের গল্প।

যোগাযোগের ছাত্রী : ১৯৮০ সালে জন্ম নেয়া আরডার্নের বেড়ে ওঠা মুরুপাড়া নামে নিউজিল্যান্ডের মাউরি আদিবাসী অধ্যুষিত একটি ছোট্ট শহরে। যেখানে শিশুদের পায়ে দেয়ার মতো জুতা ছিল না, এমনকি দুপুরে তারা খাবারও পেত না। 

এই ঘটনাই তাকে রাজনীতিতে উদ্বুদ্ধ করে। উচ্চ মাধ্যমিক শেষে আরডার্ন। পড়াশোনা করেন যোগাযোগ বিদ্যায়। তার আগে ১৭ বছর বয়সেই যুক্ত হন নিউজিল্যান্ডের লেবার পার্টির রাজনীতিতে।

বিশ্ব রাজনীতির পাঠ : স্নাতক শেষ করে আরডার্ন নিউজিল্যান্ডের লেবার পার্টির একজন সংসদ সদস্যের অধীনে গবেষক হিসেবে কাজ করেন। ২০০৫ সালে পাড়ি জমান ব্রিটেনে। আড়াই বছর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের মন্ত্রিসভার দফতরে চাকরি করেন।

২০০৭ সালে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব সোশ্যালিস্ট ওয়েলথের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘুরে বেড়িয়েছেন আলজেরিয়া, চীন, ভারত, ইসরায়েল, জর্ডার্ন ও লেবাননে।

জাতীয় রাজনীতির পথ চলা : ২০০৮ সালে আরডার্ন লেবার পার্টির সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েও ১৩,০০০ ভোটে হেরে যান। কিন্তু দেশটির সংবিধানিক নিয়মে তিনি সংসদে যাওয়ার সুযোগ পান। ২৮ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসাবে জায়গা করে নেন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে।

জেসিডামেনিয়া : ২০১৭ সালে লেবার পার্টির উপ প্রধান নির্বাচিত হন আরডার্ন। নির্বাচনের দু’মাস আগে দলটির প্রধান পদত্যাগ করলে সেই ভারও চাপে তার কাঁধে। নির্বাচনি প্রচারে তরুণদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হন আরডার্ন। তাকে নিয়ে এসময় দেশটিতে জনপ্রিয়তার যে ঢেউ উঠে, তা পরিচিত ‘জাসিডামেনিয়া’ নামে।

বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নারী প্রধানমন্ত্রী : মাত্র দু’মাসের নেতৃত্বে অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাই দলকে নির্বাচনে বিজয়ী করেন আরডার্ন। ২০১৭ সালে ৩৮ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। নিউজিল্যান্ডের ১৫০ বছরের ইতিহাসেও তিনি সবচেয়ে কম বয়সি সরকার প্রধান।

প্রভাবশালী নারী : আরডার্ন সমকামী বিবাহের সমর্থক। জলবায়ু পরিবর্তন, শিশু দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চকিত। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নিউজিল্যান্ডের সরকার হবে সহানুভূতিশীল। ২০১৮ সালে ‘ফোর্বসের পাওয়ার উইমেনের’ তালিকায় জায়গা করে নেন তিনি। আছেন টাইম ম্যাগাজিনে সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকাতেও।

সন্তান জন্ম : টিভি উপস্থাপক ক্লার্ক গেফোর্ডকে বেছে নিয়েছেন তিনি সঙ্গী হিসেবে। ২০১৮ সালের ২২ জুন বেনজির ভুট্টোর পর বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বকালে সন্তানের জন্ম দেন আরডার্ন। এজন্য মাত্র ছয় সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়েছিলেন তিনি।

সন্তান কোলে জাতিসংঘে : বিশ্বে প্রথমবার কোনো প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের কক্ষে সন্তান নিয়ে বক্তৃতা দিতে যান। তিনি জাসিন্ডা আরডার্ন। গত বছর নেলসন ম্যান্ডেলা পিস সামিটে অংশ নিয়ে আরডার্ন বিশ্ব গণমাধ্যমে খবরের শিরোনাম হয়েছেন। বক্তৃতা দেয়ার সময় সন্তান ছিল সঙ্গী ক্লার্ক গেফোর্ডের কোলে।

ক্রাইস্টচার্চের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া : ক্রাইস্টচার্চে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ৫০ জনকে হত্যার পর জাসিন্ডা আরডার্নকে নতুন করে চেনে বিশ্ব। এই ঘটনার অভিযুক্তকে কোনো কার্পণ্য না করেই সন্ত্রাসী ও জঙ্গি হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। দ্রুত অস্ত্র আইন পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। মুসলমানদের উদ্দেশ্যে জানান, নিউজিল্যান্ড মোটেও এমনটা নয়। এই দেশে তারা স্বাধীনভাবেই থাকতে পারবে।

হিজাবে আরডার্ন : জাসিন্ডা আরডার্ন ক্রাইস্টচার্চের ঘটনার পর প্রতিদিনই ছুটে যাচ্ছেন নিহতদের স্বজনদের কাছে। তাদের জড়িয়ে ধরছেন, সমব্যাথী হচ্ছেন। শুধু তাই নয়, মুসলমানদের সাথে একত্মতার প্রকাশ হিসেবে তিনি একাধিক দিন হিজাব পরে বেরিয়েছেন।

সংসদে আরবি ভাষা : ১৯ মার্চ সংসদে বক্তব্য দেন আরডার্ন। শুরুতেই সবাইকে ‘আস সালামু আলাইকুম’ বলে সম্বোন্ধন করেন তিনি। জানান ক্রাইস্টচার্চের ঘটনায় অভিযুক্তের নামও তিনি কখনও মুখে আনবেন না।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে

aditimistry hot pornblogdir sunny leone ki blue film
indian nude videos hardcore-sex-videos s
sexy sunny farmhub hot and sexy movie
sword world rpg okhentai oh komarino
thick milf chaturb cum memes