হিমালয়ের কোলে নারী শাসিত সাম্রাজ্য, যে সমাজে পুরুষের কাজ শুধু শয্যাসঙ্গী হওয়া!

০২:২৯:৪৩ রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

সর্বশেষ সংবাদ :

     • ট্যাক্সির ছাদে সবজি চাষ করে অভিনব প্রতিবাদ      • তিনফুট উচ্চতার বর-কনের ধুমধামে বিয়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী     • একদিন সবাই পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে লাইনে দাঁড়াবে : রমিজ রাজা     • মায়ের লাশের পাশে 'মা মা' বলে কাঁদছিল তিনবছর বয়সী শিশু!     • অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল ৮ বছর বয়সী ছেলে, বাজার করে ফেরা হলো না বাবার     • এবার প্রকাশ্যে অভিনেত্রী শখের বেবি বাম্প      • পরকীয়া করে ২০ বছরের ছোট ভাতিজাকে নিয়ে বাড়ি ছাড়ল চাচি     • আগে থেকেই মসজিদের মেম্বরের নিচে ও অজুখানায় ধারালো অস্ত্র এনে রাখেন     • রিমান্ডে মুখ খুলতে শুরু করেছেন ইভ্যালি দম্পতি, মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য     • গোপন কথা কি আর গোপন থাকে? মেসি-রোনালদোর বেতন ফাঁস

মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১, ০৩:৩৫:৫৫

হিমালয়ের কোলে নারী শাসিত সাম্রাজ্য, যে সমাজে পুরুষের কাজ শুধু শয্যাসঙ্গী হওয়া!

হিমালয়ের কোলে নারী শাসিত সাম্রাজ্য, যে সমাজে পুরুষের কাজ শুধু শয্যাসঙ্গী হওয়া!

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : দক্ষিণ পশ্চিম চীনে হিমালয়ের কোলে পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন মাতৃতান্ত্রিক এক সম্প্রদায়ের নাম মসুও। অঞ্চলটি তথাকথিত নারী শাসিত এক অভিনব সাম্রাজ্য। চীনের ইউনান প্রদেশে পাহাড়ের কোলে মসুও সমাজে নারীরাই সর্বেসর্বা। তাদের সমাজে পুরুষরা গৌণ। 

পুরুষের যৌন সংসর্গ ছাড়া যেহেতু সন্তান উৎপাদন সম্ভব নয়, তাই মসুও সমাজে পুরুষের প্রয়োজন ভবিষ্যত বংশধর তৈরির জন্য। এর বাইরে পুরুষের সাথে সম্পর্ককে তাদের সমাজে নিরুৎসাহিত করা হয়। মসুও জনগোষ্ঠীকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন পেশায় আইনজীবী চু ওয়াই হং।

তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত কাজ করতেন সিঙ্গাপুরে একটা বড় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ আইনজীবী হিসাবে। ওই বছর তার শহুরে ব্যস্ত জীবন থেকে আগাম অবসর নিয়ে মিজ চু ওয়াই হং যখন তার পূর্বপুরুষের দেশ চীনে বেড়াতে যান, তখন হঠাৎই তিনি দেখা পান পাহাড়ের বাসিন্দা এই বিচ্ছিন্ন সম্প্রদায়ের। সঙ্গে সঙ্গে তাদের দারুণ ভাল লেগে যায় চু ওয়াই হংয়ের।

নারীদের অপরিসীম আত্মবিশ্বাস : "নারীরা সেখানে দারুণ ক্ষমতাশালী," বলছিলেন চু ওয়াই। "আপনি সেখানে গেলে দেখবেন এই সম্প্রদায়ের নারীদের মধ্যে কী পরিমাণ আত্মবিশ্বাস- সেটা কিন্তু তাদের স্বভাবজাত। আমাদের নারীদের মধ্যে এটা সচরাচর দেখা যায় না। এরা কিন্তু সেভাবে শিক্ষিত নয়, এরা কৃষক, কিন্তু আত্মবিশ্বাসে এরা যেন টগবগ করছে!"পাহাড়ের প্রায় ৩ হাজার মিটার উচ্চতায় অপূর্ব সুন্দর একটা হ্রদ - নাম 'লুগু লেক'। তার চারপাশে চমৎকার ঝাউবন। পাহাড়ে ঘেরা চোখ জুড়ানো দারুণ এলাকা। প্রত্যেকেই কৃষিজীবী আর খুব শান্ত ধীরস্থির জীবনযাত্রা সেখানে, ব্যাখ্যা করছিলেন মিজ ওয়াই হং।

সিঙ্গাপুরে মিজ ওয়াই হং-এর কর্মজীবন ছিল খুবই সফল। কিন্তু তা ছিল অমানুষিক রকম ব্যস্ত। রোজই প্রায় রাত বারোটা পর্যন্ত তাকে কাজ করতে হতো, প্রায়ই সপ্তাহে সাত দিন। কয়েক দশক এভাবে চলার পর একদিন সকালে উঠে তিনি ঠিক করলেন, সাফল্য আর অর্থের বাইরে যে জীবন - তাকে জানতে তিনি বেরিয়ে পড়বেন। কাজে ইস্তফা দিলেন। চু ওয়াই হং যখন ২০০৬ সালে লুগু লেকে যান, তখনও সেখানে পর্যটকদের আনাগোনা প্রায় ছিলই না। বাইরের মানুষের প্রভাবও তেমন পড়েনি। তিনি তখনও ভাবেননি যে সেখানেই তিনি ভবিষ্যতে তার ঘর বাঁধবেন।

মসুও নারীরা চান একাধিক পুরুষ সঙ্গী : মসুও একটি ছোট প্রাচীন সম্প্রদায়। সংখ্যায় তারা ৪০ হাজারের মত। মূলত স্বনির্ভর জাতিগোষ্ঠী। কঠোর ধর্মবিশ্বাস আর সংস্কৃতি কেন্দ্রিক তাদের জীবনযাপন। মিজ ওয়াই হং যেদিন সেখানে গিয়ে পৌঁছন, সেদিন মসুও নারীরা তাদের প্রথাগত উজ্জ্বল সাজপোশাক পরে তাদের পাহাড়ের দেবীর উৎসব উদযাপন করছিলেন। "তারা খুব মজা করে নাচ-গান করছিল, আগুন জ্বালিয়ে খাবার রান্না করছিল আর পর্বতের দেবীর সামনে ধূপ জ্বালাতে সবাই পাহাড় ভেঙে উপরে উঠছিল। পাহাড়ের মাথায় তাদের দেবী 'গামু'র মন্দির।

"তাদের বিশ্বাস এই দেবীই তাদের রক্ষাকর্ত্রী। তারা বলে, তাদের এই দেবী নাচগান ভালবাসেন, মদ্যপান, বহুগামিতা তার খুব পছন্দ। তাই এই দেবীকেই তারা অনুসরণ করে। মসুও নারীদের বক্তব্য, দেবীর মত আমাদের জীবনেও একাধিক পুরুষসঙ্গী চাই। আমরা একজনের সাথে আটকে থাকতে চাই না," বিবিসিকে বলেন চু ওয়াই হং।

মসুওদের জীবন নিয়ে তিনি বই লিখেছেন 'কিংডম অফ উইমেন'। মসুওদের ভাষাও শিখেছেন তিনি, তাদের সাথে বসবাস করেছেন। প্রথাগতভাবে মসুওরা মাতৃতান্ত্রিক। অর্থাৎ তাদের বংশ পরম্পরা মায়ের দিক থেকে। তাদের সমাজে মাতামহী বা প্রমাতামহী সবচেয়ে ক্ষমতাশালী। মেয়ে মায়ের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়। মসুও পরিবারের কন্যারা ভাই বা ছেলের ভরনপোষণের দায়িত্ব নেয়। 

ছেলেরা কখনও বাসা ছেড়ে কোথাও যায় না। বোনের পরিবারেই থাকে। "তবে ভবিষ্যত প্রজন্মে পরিবারের মাথা কে হবে, সেটা কোন্ কন্যাসন্তান পরিবারের অগ্রজ, সেটা বিচার করে তারা ঠিক করে না। পরিবারে যে কন্যা সন্তান সবচেয়ে বুদ্ধিমতী, আর সবচেয়ে পরিশ্রমী সেই পরিবারের মাথা হয়। "মেধা ও কর্মদক্ষতা বিচার করে সেটা ঠিক করে দেন পরিবারে মায়ের দিকে জীবিত সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ নারী, বলছিলেন মিজ ওয়াই হং।  পরিবারে সবাইকে তিনি নির্দেশ দিয়ে জানিয়ে দেন ভবিষ্যতে ওই পরিবার কার কর্তৃত্ব মেনে নেবে।

মসুও পুরুষের ভূমিকা কী : মসুওদের লোক সংস্কৃতিতে তাদের বিশ্বাস যে পুরুষের ভূমিকা হল শুধু সন্তান উৎপাদনে সাহায্য করা। তাদের ব্যাখ্যায়- নারীর শরীরে নতুন জীবনের যে বীজ সুপ্ত আছে, পুরুষ তাকে অঙ্কুরিত করবে। সেই বীজে যখন প্রাণের সঞ্চার হবে, তখন থেকেই সেই শিশুর মালিক তার গর্ভধারিণী মা। "বাবার ওই শিশুতে কোন অধিকার নেই। সে শুধু বীজে পানি দিয়ে তাকে অঙ্কুরিত করেছে। ঐটুকুই তার ভূমিকা। শিশুর জীবনে বাবার আর কোন ভূমিকাই থাকে না," বলছেন মিজ ওয়াই হং।

মসুও পরিবারে শিশুরা যেহেতু মায়ের বাড়িতে বেড়ে ওঠে, তাই ঘরে পুরুষ বলতে বাবার চেয়ে তারা বেশি চেনে মামাকে বা মায়ের বংশের যে পুরুষ সেই পরিবারে থাকেন - তাকে। সন্তানের বাবার পিতৃত্বে কোন অধিকার থাকে না। আমরা বাবা বলতে যেটা বুঝি মসুও সমাজে বাবারা কিন্তু সেরকম নয়। সন্তানের বড় হয়ে ওঠার ব্যাপারে তাদের কোনই দায়িত্ব থাকে না। সব দায়িত্ব নেন মামারা। বোনের বাচ্চাদের মসুও সংস্কৃতি সম্পর্কে শিক্ষা দেয়া, তাদের জীবনযাপন, মূল্যবোধ সবকিছু যথাযথভাবে শেখানোর দায়িত্ব মামাদের।

পথচলতি বিয়ে : মসুওদের সমাজে নারী পুরুষের সম্পর্কের ব্যাপারটাও একেবারেই অন্যরকম। বিয়ে বলে তাদের সমাজে কিছু নেই। নারী আর পুরুষের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কেও তারা বিশ্বাস করে না। "মসুও সমাজে একজন পুরুষ, নারীকে বলে- আজ রাতে আমি তোমার বাসায় কাটাব। মসুওদের বাসায় প্রত্যেক নারীর আলাদা ঘর থাকে। পুরুষ এসে রাতে তার পছন্দের নারীর দরোজায় পাথর দিয়ে টোকা মারে ও তার ঘরে রাত কাটায়।"

ওই পুরুষকে সূর্য ওঠার আগেই কিন্তু ঘর থেকে চলে যেতে হয় তার নিজের বাসায়। মসুওরা এটাকে বলে 'পথচলতি বিয়ে'। তারা কখনই এই পথচলতি বিয়েকে স্থায়ী কোন এই সম্পর্ক হিসাবে দেখে না, বা দেখার প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করে না। তাদের যুগল সম্পর্ক শুধু রাতের ওই মুহূর্তটির জন্যই স্থায়ী হয়," বলেন মিজ ওয়াই হং। চু ওয়াই হং মসুওদের গ্রামে গিয়ে বেশ কয়েকবার থাকার পর গ্রামের বাসিন্দারা তাকে পাকাপাকি ভাবে থেকে যাবার অনুরোধ জানান।

নারীদের সম্মানের শিক্ষা : "আমাকে সবচেয়ে মুগ্ধ করেছিল নারীদের প্রতি মসুওদের সম্মানবোধ। মসুও সমাজে পুরুষরা ছোটবেলা থেকেই নারীদের সম্মান করতে শেখে। নারীর প্রতি সম্মানবোধ নিয়ে তারা বেড়ে ওঠে," বলেন চু ওয়াই হং। যে কর্মপরিবেশে, যে সমাজে তিনি বড় হয়ে উঠেছেন, সেখানে দেখেছেন, প্রচুর পুরুষ সহকর্মীর মধ্যে কোন মেয়ের বক্তব্য তুলে ধরা কতবড় একটা সংগ্রাম। তাই বলে মসুও নারীরা কিন্তু পুরুষদের কখনই হেয় করেন না।

"পুরুষপ্রধান দুনিয়ায় পুরুষরা নারীদের প্রতি যেভাবে আচরণ করে, তাদের যে চোখে দেখে, মসুও সমাজ নারীপ্রধান হলেও নারীরা কিন্তু পুরুষদের একইভাবে দেখে না। তারা পুরুষের ওপর প্রভুত্ব করে না। পুরুষদের গালমন্দ করে না। তাদের প্রতি মসুও নারীরা খুবই মমতাশীল।" মিজ ওয়াই হং বলেন, পুরুষরাও সেই সমাজে কখনও নিজেদের অধস্তন বা অবদমিত বলে মনে করে না। "তাদের সমাজে নারী ও পুরুষের মধ্যে একটা সাম্য আমি দেখেছি।

আধুনিক জীবনধারার প্রভাব : মসুও এলাকায় এখন পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে তারা এখন চীনের আধুনিক জীবনধারার সাথে পরিচিত হবার সুযোগ পাচ্ছেন। অনেক মসুও নারী একজন জীবনসঙ্গীর সাথে ঘর বাঁধার আইডিয়াও পছন্দ করতে শুরু করেছেন।

তবে, চু ওয়াই হং বলছেন সমাজে নারীর সম্পর্কে পুরুষের যে প্রচলিত ধ্যানধারণা রয়েছে প্রাচীন এই মসুও সমাজ তার অনেক কিছুকেই চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। চু ওয়াই হং, যিনি বেশিরভাগ সময় হিমালয়ের কোলে মসুওদের গ্রামেই কাটান, মসুওদের জীবন নিয়ে তার বইয়ে তিনি লিখেছেন, মাতৃতান্ত্রিক একটা সমাজ কতটা সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হতে পারে মসুও সমাজ তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ। সূত্রঃ বিবিসি বাংলা



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


যার ওপর সূর্য উদিত হয়েছে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমার দিন

যার-ওপর-সূর্য-উদিত-হয়েছে-তার-মধ্যে-সর্বশ্রেষ্ঠ-দিন-হল-জুমার-দিন

পবিত্র কাবা শরিফের প্রবীণ ও প্রধান মুয়াজ্জিনের সুরলিত কণ্ঠে আজান যেমন (ভিডিওসহ)

পবিত্র-কাবা-শরিফের-প্রবীণ-ও-প্রধান-মুয়াজ্জিনের-সুরলিত-কণ্ঠে-আজান-যেমন-ভিডিওসহ

টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ পড়ায় কিশোররা পুরস্কার পেল বাইসাইকেল, ফ্যান ও জায়নামাজ

টানা-৪১-দিন-জামাতে-নামাজ-পড়ায়-কিশোররা-পুরস্কার-পেল-বাইসাইকেল-ফ্যান-ও-জায়নামাজ ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


তিনফুট উচ্চতার বর-কনের ধুমধামে বিয়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী

তিনফুট-উচ্চতার-বর-কনের-ধুমধামে-বিয়ে-দিয়েছেন-এলাকাবাসী

ফেসবুকে নিজের মাকে দেখতে পান মেয়ে, তারপর ঘটল অবিশ্বাস্য ঘটনা

ফেসবুকে-নিজের-মাকে-দেখতে-পান-মেয়ে-তারপর-ঘটল-অবিশ্বাস্য-ঘটনা

শুক্রবার এলেই নববধূ হন চার সন্তানের জননী, নেপথ্যে করুণ কাহিনি!

শুক্রবার-এলেই-নববধূ-হন-চার-সন্তানের-জননী-নেপথ্যে-করুণ-কাহিনি- এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


নতুন র‌্যাংকিং প্রকাশ করল ফিফা, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সহ অন্যান্য দেশের অবস্থান

লিটন দাস হতে পারেন বিশ্বের সেরা ১০ ব্যাটসম্যানের একজন; কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্সের বার্তা

ফেসবুকে নিজের মাকে দেখতে পান মেয়ে, তারপর ঘটল অবিশ্বাস্য ঘটনা

তামিমকে টি-২০ বিশ্বকাপ দলে চাননি কোচ ও অধিনায়ক

বিচিত্র জগৎ


নববধূকে প্রণাম করে বিবাহিত জীবন শুরু স্বামীর

নববধূকে-প্রণাম-করে-বিবাহিত-জীবন-শুরু-স্বামীর

শুনে অবাক হচ্ছেন? টয়লেট ব্যবহার করছে গরু, করতে পারে ‘ফ্লাশ’ ও! (ভিডিও)

শুনে-অবাক-হচ্ছেন--টয়লেট-ব্যবহার-করছে-গরু-করতে-পারে-‘ফ্লাশ’-ও--ভিডিও

তরুণীর পেট থেকে অপসারণ করা হলো ২ কেজি দলা পাকানো চুল!

তরুণীর-পেট-থেকে-অপসারণ-করা-হলো-২-কেজি-দলা-পাকানো-চুল- বিচিত্র জগতের সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ