সোমবার, ৩০ মে, ২০২২, ১১:৪২:১৫

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার সময় ভুলেও ৫টি কথা মুখে আনবেন না!

স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার সময় ভুলেও ৫টি কথা মুখে আনবেন না!

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক: সম্পর্কে থাকাটা কোনও সহজ বিষয় নয়। সম্পর্কে থাকতে গেলে একে অপরের মধ্যে ভালোবাসা থাকাটা খুবই জরুরি। আর ভালোবাসা থাকলে সেখানে মান, অভিমান, রাগ, ক্রোধ, দুঃখ সবই থাকবে। এটাই তো মশাই হিউম্যান রিলেশন। এই আঙ্গিকেই জড়িয়ে যায় একে অপরের প্রাণ।

এবার ভালোবাসায় ঝামেলা হওয়া খুবই স্বাভাবিক এক বিষয়। বরং ঝামেলা না হলেই বুঝতে হবে, কোথাও একটা সমস্যা অবশ্যই রয়েছে। কারণ যে কোনও সম্পর্কে কোথাও না কোথাও একটা ব্রেকিং পয়েন্ট থাকে। 

এবার সেই ব্রেকিং পয়েন্টে পৌঁছে গেলেই হুট করে শুরু হয়ে যায় সমস্যা। তখন লেগে যায় ঝামেলা। তবে মনে রাখবেন, সবসময় ঝামেলা যেমন ভালো নয়, ঠিক তেমনই সবসময় শান্তিও কিন্তু অন্য কিছুর ইঙ্গিত দেয়। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই বিষয়টির দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝামেলা হল যে কোনও সম্পর্কের অন্দরের বিষয়। যেমন ভালোবাসা, প্রেম, ভরাস, বিশ্বাস জরুরি, ঠিক তেমনই জরুরি মান, অভিমান। 

এই মান, অভিমানের মাধ্যমেই আপনার ভালোবাসা পেয়ে যায় পূর্ণতা। তবে মুশকিলটা অন্য জায়গায়। আসলে ঝামেলা করার সময় বেশিরভাগ মানুষেরই মুখের কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে।

আসলে ঝামেলা করতে করতে এই মানুষগুলি ভুলে যান যে কী বলব, আর কী বলা যাবে না। তাই মুখ ফসকে এমন কিছু কথা তাঁরা বলে দেন যা বলা একেবারেই উচিত হবে না। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই হয়ে যেতে হবে সতর্ক। স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার সময় ভুলেও ৫টি কথা মুখে আনবেন না!

১. একে অপরকে দোষারোপ করা: ঝামেলা হতেই পারে। তবে সেই ঝামেলার কারণে নিজেদের দোষারোপ করার অভ্যাস কিন্তু ছাড়তে হবে। অর্থাৎ সোজ ভাষায় একে অপরকে দোষ দিতে যাবে না। 

কারণ আপনি এখন খারাপ মুডে রয়েছেন। এই সময়ে অনেক কিছুই আপনার ভালো না লাগতেই পারে। তবে সেসব ভেবে কোনও লাভ আর নেই। 

এক্ষেত্রে এই খারাপ মুডে একে অপরকে খারাপ কিছু কথা বলে দিলে সতর্ক হয়ে যাওয়াটাই জরুরি। তাই মুখ ফসকেও একে অপরকে দোষ দেবেন না।

​২. পরিবারকে নিয়ে কথা: অনেকেরই এই অভ্যাস রয়েছে। নিজেদের মধ্যে ঝামেলা করছেন ঠিক আছে, কিন্তু সেই ঝামেলার মধ্যে হঠাৎ টেনে নিয়ে চলে আসেন পরিবারকে। 

এবার এমনটা করাও কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। কারণ পরিবার নিয়ে কথা বললে প্রতিটি মানুষেরই খারাপ লাগবে। তাই এভাবে কথা বলা একেবারেই উচিত হবে না। বরং পরিবারকে সম্মান দিয়ে কথা বলুন। পরিবারের ভালো দিক সম্পর্কে বলুন। তবেই ভালো থাকা হবে সম্ভব।

​৩. তোমাকে ছেড়ে চলে যাব: ঝামেলা হচ্ছে, হোক। কিন্তু তার মাঝে ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা কেন যে চলে আসে, তা বোঝা দায়। এক্ষেত্রে ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা বললেই কিন্তু চিত্তির। 

কারণ মানুষটি তখন অন্যভাবে ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁর বুকে বেঁধে যায় শেল। তাই ভালোবাসাও কমে যাওয়া সম্ভব। তাই এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই সতর্ক হয়ে যেতে হবে। আর এই কথা বলা নয়।

​৪. খারাপ শব্দ ব্যবহার করা: অনেকেই ঝামেলার সময় খারাপ শব্দ ব্যবহার করেন। তাঁদের হয়তো এই কথা বলার কোনও প্রয়োজন নেই। তবুও তাঁরা এই কথা বলে যাবেন। 

এক্ষেত্রে অনেকের মুখে অপশব্দ বলার কোনও লিমিটও থাকে না। তাই শব্দ নিয়ে সংযত হন। এই অবস্থায় এমন কথা বলতে যাবেন না যার থেকে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সতর্ক হয়ে যান।

​৫. প্রাক্তনকে নিয়ে কথা: অনেকেই এই কাজটাও করে থাকেন। এক্ষেত্রে ঝগড়া চলছে নিজের মতো। কিন্তু এই মানুষটি হঠাৎ প্রাক্তনকে নিয়ে এমন কিছু কথা বলে দেবেন, যার থেকে সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

এক্ষেত্রে সঙ্গীর মনে ভীষণই কষ্ট দেয় এই ধরনের কথা। তখন ভালোবাসার কমতি দেখা যায়। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে