বিচিত্র জগৎ ডেস্ক : ফুচকা ভালবাসেনা, এমন বাঙালি দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে! গোটা দেশেই ফুচকার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে! কোথাও বা সে গোলগাপ্পা, কোথাও বা পানি কা বাটাশা বা পতাশা, কোথাও বা গুপ চুপ, ফুলকি বা পাকোদি!
কিন্তু বলুন তো, কে প্রথম ফুচকা খেয়েছিলেন? মানে কার হাত ধরে আবিষ্কার হয়েছিল ফুচকা?
কথায় বলে, “যা নেই মহাভারতে,তা নেই ভূ ভারতে”। একদিন থেকে কিন্তু ঠিক! অর্থাৎ, মহাভারতেও রয়েছে ফুচকার উল্লেখ এবং সেদিক থেকে ধরতে গেলে সেটিই প্রথম ফুচকা খাওয়া।
মহাভারতে সদ্য বিবাহিতা দ্রৌপদী শাশুড়ি কুন্তির সঙ্গে বাড়ি ফিরে আসেন, পাণ্ডবরা তখন নির্বাসনে। কুন্তি পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন, তাঁর পুত্রবধূ কত কম উপাদান দিয়ে সংসার চালাতে পারেন।
তিনি দ্রৌপদীকে কিছু উচ্ছিষ্ট আলু এবং বেশ অনেকটা গমের আটা দিয়েছিলেন, বলেছিলেন এমন একটা খাবার তৈরি করতে, যাতে তাঁর পাঁচ ছেলের ক্ষুধা মিটতে পারে। তখন নাকি দৌপদী একটি বড় লুচি তৈরি করেছিলেন, মাঝে ভরে দিয়েছিলেন আলুর পুড়। মনে করা হয়, সেটিই প্রথম ফুচকা !
এখন যেটি পশ্চিম-মধ্য বিহার, তা এককালে গঙ্গা নদীর তীরে মগধ সাম্রাজ্য ছিল। গবেষকদের অনেকেই আবার মনে করেন, ফুলকি তথা ফুচকা, সেখানেই আবিষ্কার করা হয়। সেইসময় আরও অন্য ধরনের খাবার যেমন পিঠে, তিবলা, ছেবরা ইত্যাদি আবিষ্কার হয়েছিল।
ভারতের উত্তরে হরিয়ানায় ফুচকা ‘গোল গাপ্পে' নামে পরিচিত। তবে, তা দেখতে কিন্তু মোটেই গোলাকার নয়, বরঞ্চ একটু লম্বাটে ধরনের। তাতে দেয়া হয় আলু, মটর আর মিষ্টি চাটনি, সঙ্গে টক জল। এই টক-মিষ্টি জলে থাকে বিশেষ ধরনের মশলা এবং হালকা পুদিনা। সূত্র: নিউজ এইট্টিন