বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:০৮:২৭

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হলে দাম্পত্য জীবন সুখী হয়? যা বলছে গবেষণা

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হলে দাম্পত্য জীবন সুখী হয়? যা বলছে গবেষণা

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : ভালো লাগা বা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে মানুষের পছন্দের বিষয়গুলো ভিন্ন হতে পারে। কারও কথা বলার ধরন, কারও সৌন্দর্য, আবার কারও ব্যক্তিত্ব বা বিশেষ গুণ আকর্ষণ তৈরি করে। এসবের মধ্যে বয়সের বিষয়টি অনেক সময় শুরুতে তেমন গুরুত্ব পায় না।

তবে বিয়ের পর সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সম্পর্কবিষয়ক গবেষকেরা। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, দু’জনের বয়সের পার্থক্য যত বেশি হয়, দাম্পত্য জীবনও নাকি তত সুখের হয়। কিন্তু গবেষণার ফল বলছে, বিষয়টি এতটা সরল নয়।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, একেবারে সমবয়সি সঙ্গীর তুলনায় সামান্য বয়সের ব্যবধান থাকা দম্পতিরা তুলনামূলক বেশি সুখী হতে পারেন। তবে এ জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনেক বছরের পার্থক্য থাকা জরুরি নয়।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যেসব দম্পতির বয়সের ব্যবধান এক থেকে তিন বছরের মধ্যে, তাদের দাম্পত্য সুখের মাত্রা তুলনামূলক বেশি। চার থেকে ছয় বছরের ব্যবধান থাকা দম্পতিদের তুলনায়ও এই গোষ্ঠীর সন্তুষ্টি বেশি দেখা গেছে। তবে বয়সের পার্থক্য আরও বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম্পত্য সুখের মাত্রা কমতে থাকার প্রবণতা পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, বয়সের ব্যবধান বেশি হলেই সম্পর্ক আরও সুখের হবে—এমন ধারণার পক্ষে গবেষণাটি সমর্থন দেয় না।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের পরিচালিত সমীক্ষায় আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, যাদের জীবনসঙ্গীর বয়স তাদের চেয়ে কম, তারা বিবাহিত জীবনে তুলনামূলক বেশি সুখী হওয়ার প্রবণতা দেখিয়েছেন। তবে সঙ্গীর বয়স ছয় বছরের বেশি কম হলে দাম্পত্য সুখের মাত্রা সব ক্ষেত্রে একই রকম থাকে না।

অর্থাৎ সুখী দাম্পত্য জীবনের ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধান একটি বিবেচ্য বিষয় হতে পারে। তবে শুধু বয়সের পার্থক্য দিয়েই কোনো সম্পর্কের সুখ নির্ধারণ করা যায় না; পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধা ও মানসিক সামঞ্জস্যও গুরুত্বপূর্ণ।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে।