বাস্তবে দেখা মিলল নাগ-নাগিনীর!

০৯:০৬:০৪ শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০

সর্বশেষ সংবাদ :

     • ঘণ্টা বাজান, চা-জল দেন, আবার উঁচু ক্লাসে অঙ্ক করান এই স্কুলের পিওন!     • এবার মুশফিকের মা-বাপ তুলে গা'লাগা'লি!     • ''মা'রা গেলে আমার কবরে কোরআন তেলাওয়াত করিও'' স্ট্যাটাসের পরেরদিনই যুবকের মৃত্যু!     • 'মানুষটা কেমন, তা জানতেও পারলাম না,' দিল্লির হিং'সায় স্বামীহা'রা নববধূ ফতিমার হা'হাকার     • পাকিস্তানে নয়, দুবাইয়ে হবে এশিয়া কাপ : সৌরভ গাঙ্গুলী     • 'কেন ৯ বছরের শিশুর মৃত্যু?' দিল্লির হিং'সা নিয়ে সরব গুলজার     • ৮০ জন মুসলিমকে বাঁচানোর পুরস্কার, নায়কের সম্মান পাচ্ছেন দিল্লির এই পিতা-পুত্র     • শাহরুখের খোঁ'জ মিলছে না, স্বজনদের দাবি গ্রেপ্তারের পর এনকা'উন্টার করেছে দিল্লী পুলিশ      • দশ বছরের ব্যাচেলর লাইফের ইতি টেনে আবার বিয়ে করলেন ইমন     • দিল্লির হিং'সার ছবি হা'তিয়ার করে ভারতে 'জেহাদ' ঘোষণা আইএসের

সোমবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৯, ১২:২২:১১

বাস্তবে দেখা মিলল নাগ-নাগিনীর!

বাস্তবে দেখা মিলল নাগ-নাগিনীর!

রিপন দে  মৌলভীবাজার : নাগ-নাগিনী বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত একটি সাপের নাম। যদিও বেশির ভাগ মানুষ এ সাপকে দেখেনি। তবে এ সাপকে নিয়ে বিভিন্ন গল্প, সাপুড়েদের চটকদার কথা এবং সিনেমা তৈরি হয়েছে।

বেহুলা-লখিন্দর থেকে শুরু করে কালনাগিনীর প্রেম, নাগ নাগিনী, শীষনাগ, নাগিনী কন্যা, নাগ পূর্ণিমা, নাগরানী, সতী নাগকন্যা, নাগমহল, নাগিনা, নাগজ্যোতি, নাচে নাগিন, রূপসী নাগিন ও নাগিনী সাপিনী এমন অসংখ্য সিনেমা তৈরি হয়েছে নাগ-নাগিনীর নামে।

সাপুড়েরা হাটেঘাটে এ সাপকে বিষাক্ত বলে পরিচয় করিয়ে দেন। গ্রামবাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে সাপটিকে উড়ন্ত সাপ, উড়াল মহারাজ সাপ, সুন্দরী সাপ, কালসাপ ও কালনাগ বলে ডাকা হয়। সেই সঙ্গে নাগ-নাগিনীর বিষে মানুষের মৃত্যু হয় বলেও কথিত আছে। যদিও বাস্তবতা হচ্ছে এসব গল্প-কাহিনি এবং সিনেমা শুধুই কাল্পনিক। বাস্তবে সাপটি সম্পূর্ণ বিপরীত।

প্রাণিজগতের সবচেয়ে সুন্দর সাপগুলোর মধ্যে অন্যতম এ সাপ। যার ইংরেজি নাম হলো- (Ornate Flying Snake) ও বৈজ্ঞানিক নাম (Chrysopelea ornata)। 

ইংরেজিতে (Flying Snake) নাম হলেও সাপটি বাস্তবে উড়তে পারে না। খাদ্যগ্রহণ, বৈশিষ্ট এবং চরিত্রগত কারণে উঁচু গাছের ডাল থেকে নিচু গাছের ডালে লাফ দিয়ে চলাফেরা করে সাপটি। এ সাপটির বিষক্রিয়া নেই। এদের বিষে কারও মৃত্যু হয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই। শুধু কাল্পনিকভাবেই সাপটিকে বিষধর এবং বিভিন্ন গল্প-কাহিনিতে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়।

ফলে ভয়ঙ্কর ধারণা থেকেই সাধারণ মানুষ যখনই সাপকটিকে দেখে বিষাক্ত ভেবে মেরে ফেলে। তাই এ প্রকৃতির নাগ-নাগিনী সাপ দ্রুত কমে যাচ্ছে।

যদিও এবার বাস্তবে মৌলভীবাজারের রাজনগর চা বাগানে এ সাপের দেখা মিলেছে। এর আগে লাউয়াছড়া, সাতছড়ি, রেমা-কালেঙ্গা বনে প্রচুর পরিমাণ এ সাপের দেখা মিলত।

এর আগে সিলেটের চা বাগানসহ মৌলভীবাজারের বিভিন্ন চা বাগানে সাপটির দেখা মিললেও বর্তমানে তেমন দেখা যায় না। তবে গভীর বনে এদের দেখা মেলে। এদের দৈর্ঘ্য ১০০ থেকে ১৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। মাথা লম্বা ও চ্যাপ্টা এবং মুখের সামনের দিকে চৌকোনা আকৃতির। এদের দেহের রঙ পিঠের দিকে সবুজ। আবার হালকা সবুজ রঙের এবং কালচে ডোরাযুক্ত হয়। ঘাড় থেকে লেজের ডগা পর্যন্ত মেরুদণ্ড বরাবর কমলা রঙের এবং লাল দাগ দেখা যায়।

এরা সাধারণত পোকামাকড়, টিকটিকি, গিরগিটি, ব্যাঙ ও ছোট পাখি ইত্যাদি খায়। জুন থেকে জুলাই মাস এদের প্রজনন মৌসুম। প্রজননের সময়ে এরা সাধারণত ৬ থেকে ১২টি ডিম দেয়।

‘সাপ বেঁচে থাকুক আমাদের প্রয়োজনে’ স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশে সাপের ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে দেশের আনাচে-কানাচে কাজ করে যাচ্ছেন কামরুজ্জামান বাবু এবং প্রসেনজিৎ দেববর্মা।

তারা বলেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য সাপকে বাঁচিয়ে রাখা প্রয়োজন। কিন্তু জীববৈচিত্র্যের এ গুরুত্বপূর্ণ সাপটি নিয়ে রয়েছে আমাদের অজ্ঞতা। নাগ-নাগিনী বলতে কোনো সাপ নেই, এই সুন্দরীকে সাপকেই বলা হয় নাগ-নাগিনী। এদের বিষ নেই। কুসংস্কার ও বিভিন্ন সিনেমায় সাপটিকে ভুলভাবে উপস্থাপনের কারণে মানুষের মনে ভুল ধারণা জন্মেছে। সাপটিকে দেখলেই মেরে ফেলছে মানুষ। ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে সাপটি। যদিও মাঝে মাঝে চা বাগানে সাপটিকে দেখা যায়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক ড. মো. কামরুল হাসান  বলেন, নাগ-নাগিনী বা কাল-নাগিনী নাম দিয়ে এ প্রকৃতির সাপকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে এদের জীবন হুমকিতে ফেলা হয়েছে। এ সাপের বিষক্রিয়া নেই। কেউ বলতে পারবে না এ সাপের কারণে কারও মৃত্যু হয়েছে। সাপ সম্পর্কে কুসংস্কার দূর করে মানুষ সচেতন হলেই রক্ষা পাবে নাগ-নাগিনী তথা এ প্রকৃতির সাপ।-জাগো নিউজ



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


মাতৃত্বকালীন ছুটি না পেয়ে চাকরি ছেড়েছিলেন, আজ তিনি সফল ব্যবসায়ী

মাতৃত্বকালীন-ছুটি-না-পেয়ে-চাকরি-ছেড়েছিলেন-আজ-তিনি-সফল-ব্যবসায়ী

এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে জ্বলবে ১০০ বাল্ব!

এক-ফোঁটা-বৃষ্টির-পানিতে-জ্বলবে-১০০-বাল্ব-

২০ বছরের গবেষণায় বিচিবিহীন সুস্বাদু লিচুর জাত উদ্ভাবন করল এক কৃষক!

২০-বছরের-গবেষণায়-বিচিবিহীন-সুস্বাদু-লিচুর-জাত-উদ্ভাবন-করল-এক-কৃষক- এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


ভারতের মুসলিমদের জন্য জুমার নামাজের পর সব মসজিদে দোয়া চাইলেন আহমদ শফী

মুসলমানদের উ'পর আ'ঘা'ত না করার অ'নুরোধ জানালেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা

দিল্লির ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্র'তিবাদ করার আহ্বান জানালেন ইমরান খান

দিল্লির হিং'সা'ত্মক পরি'স্থি'তি নিয়ে এবার গ'র্জে উঠলেন নায়ক দেব ও সৃজিত

বিচিত্র জগৎ


অবিশ্বাস্য ঘটনা, যশোর রোডে প্রযুক্তির সাহায্যে না ভেঙেই সরানো হচ্ছে চারতলা বাড়ি!

অবিশ্বাস্য-ঘটনা-যশোর-রোডে-প্রযুক্তির-সাহায্যে-না-ভেঙেই-সরানো-হচ্ছে-চারতলা-বাড়ি-

বিরল দৃশ্য, জন্মের পরেই রেগে আগুন নবজাতক

বিরল-দৃশ্য-জন্মের-পরেই-রেগে-আগুন-নবজাতক

যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলে অবশ্যই ম্যাট্রিকে ফেল করতে হবে!

যে-বিশ্ববিদ্যালয়ে-ভর্তি-হতে-হলে-অবশ্যই-ম্যাট্রিকে-ফেল-করতে-হবে- বিচিত্র জগতের সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ