ইসলাম ডেস্ক : কালেমা পড়ে ইসলামের সুশীতল ছায়া তলে আশ্রয় নিয়েছেন এক ইহুদি নারী। এ জন্য তার ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। তাতেও নতি স্বীকার করেননি তিনি।
কাসাব্লাঙ্কায় বসবাসকারী ভাগ্যবান সেই নারীর নাম রাচেল মরইউসুফ বেন্ত আজা। ইসলাম গ্রহণের পর নিজের নামের প্রথম অংশ পরির্বতন করে রাশিদা রাখেন তিনি।
ইহুদি ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন রাচেল। এ জন্য তাঁকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে তার পরিবার। এখানেই শেষ নয়, তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্চনাও করেছেন তারা।
মরক্কোর বংশোদ্ভূত ইহুদি (রাশিদা) রাচেল মরইউসুফ বেন্ত আজার ১১ মে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। রাশিদার পিতা মরক্কো এবং ইসরায়েলে ইহুদি ধর্মযাজক ছিলেন।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় তার পরিবার তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় এবং বর্তমানে তিনি গৃহহীন।
রাশিদা বলেন, তার মা মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তার ধর্মান্তর সম্পর্কে জানতে পারেন।
তিনি আরো বলেন, তার মা তাকে ব্যাপক মারধর করেন কারণ তিনি মুসলমান এবং চরমপন্থীদের মধ্যে বিভ্রান্ত এবং তিনি সকল মুসলমানকেই চরমপন্থী ও জঙ্গি মনে করেন।
রাশিদা বলেন, আমি আমার মাকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি ইসলাম শান্তির ধর্ম কিন্তু তিনি আইএস এর উদাহরণকে প্রমাণ হিসেবে এনে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে বলেন মুসলমানরা শয়তান এবং একে অপরকে হত্যা করে।
তিনি আরো বলেন, আমার মা আমার খালাকে এবং অন্য এক ইহুদি প্রতিবেশিকে আমার ধমান্তরিত হওয়ার ব্যাপারে বলেন।
তিনি বলেন, তারা আমাদের বাসায় এসে আমাকে বুঝানোর চেষ্টা করেন ইসলাম ত্যাগ করতে কারণ মুসলিমরা হত্যাকারী এবং ইজরায়েলে ইহুদিদের হত্যা করছে।
রাশিদা বলেন, ইজরায়েলে ইহুদিরা মুসলিমদের হত্যা করছে এই কথা বলায় আমার মা, খালা এবং প্রতিবেশি আমার উপর অত্যাচার করেন।
রাশিদাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি গৃহহীন। তার স্বামী তাকে ডির্ভোস দিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন যে তিনি তার সন্তানদের সাথে আর কখনোই দেখা করতে পারবেন না।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫/এমটিনিউজ২৪/জহির/মো:জই/