ইসলাম ডেস্ক : আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়াত। সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। এতে আল্লাহ তায়ালার একত্ব, চিরঞ্জীবতা, সর্বজ্ঞতা, সর্বময় ক্ষমতা ও সার্বভৌম কর্তৃত্বের বর্ণনা রয়েছে। এ আয়াতের বিশেষ মর্যাদা সম্পর্কে একাধিক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। মুসলিমরা প্রায় নিয়মিত আয়াতুল কুরসি পাঠ করেন।
আয়াতুল কুরসি যেসব সময়ে পাঠ করবেন :
ফরজ নামাজের পর
ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময় । হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না। (সুনান আন-নাসায়ি)
তাই পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়াকে নিয়মিত আমলে পরিণত করা যেতে পারে।
রাতে ঘুমানোর আগে
ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠের বিষয়টিও হাদিসে এসেছে। সহিহ বুখারির একটি দীর্ঘ হাদিসে আবু হুরায়রা (রা.)-এর কাছে এক ব্যক্তি রাতে সংগৃহীত সদকার মাল পাহারা দেওয়ার সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করে ঘুমানোর পরামর্শ দেয়। সে বলে, এর ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না। পরে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সে মিথ্যাবাদী হলেও এ কথাটি সত্য বলেছে; আর ওই ব্যক্তি ছিল শয়তান। (সহিহ বুখারি, ২৩১১)
এ হাদিসের ভিত্তিতে রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত।
সকাল-সন্ধ্যার আমলে
সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর রহমত কামনার জন্য অনেকে বিভিন্ন আমল করেন। এ সময় আয়াতুল কুরসিও তিলাওয়াত করা যেতে পারে।