আজ শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন

০৬:৪৯:১১ বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

সর্বশেষ সংবাদ :


সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:৪৬:৩৯

আজ শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন

আজ শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন

রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম, নেতৃত্ব তাঁর সহজাত। এক সংগ্রামী জীবনে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে কর্মী থেকে হয়েছেন নেতা। এখন উন্নত বাংলাদেশের পথিকৃৎ, বিশ্ব শান্তির অগ্রদৃত। তিনি রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। আজ তাঁর ৭৪তম জন্মদিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের  শোষণমূলক নীতির বিরু'দ্ধে সংগ্রাম করতেই জীবনের বেশিরভাগ সময় পার করে দেন। ছাত্রনেতা হিসেবে শেখ হাসিনা স্বাধীনতাপূর্ব আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬২-এর আইয়ুব বিরোধী আ'ন্দোলনে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদের সহসভাপতি হিসেবে তিনি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠার আ'ন্দোলনে অংশ নেন।

রাজপথ থেকে শেখ হাসিনা সংসার জীবনে প্রবেশ করেন। বিয়ের সময় পিতা ছিলেন রাজবন্দী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা সপরিবারে নৃশং'স হত্যাকা'ন্ডের শি'কার হন। সৌভাগ্যক্রমে শেখ হাসিনা ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে বিদেশে স্বামীর কর্মস্থলে থাকায় প্রাণে বেঁ'চে যান। ছয় বছর নির্বাসনে থেকে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন তিনি। তার আগে নির্বাসনে থাকা অবস্থায় তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। সেই থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত দীর্ঘ নয় বছর রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন সামরিক স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আ'ন্দোলনে। 

দেশকে গণতন্ত্রের ধারায় ফিরিয়ে আনতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন শেখ হাসিনা। তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে আসার পথ সুগম হয়। ১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদেও বিরোধী দলের নেতার পদ অলঙ্কৃত করেন।

দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে শেখ হাসিনার পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় তিনি বারবার জেলে গেছেন, গৃহব'ন্দী হয়েছেন এমনকি বারবার মৃ'ত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন। এ পর্যন্ত তিনি ১৯ বার মৃ'ত্যুর কাছাকাছি থেকে ফিরে এসেছেন। এর মধ্যে ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রে'নেড হা'মলা ছিল সবচেয়ে ভ'য়াবহ। ওই হা'মলায় তিনি প্রাণে বেঁ'চে গেলেও বয়ে বেড়াচ্ছেন কানে শ্রবণজনিত সমস্যায়।

১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা প্রথম বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেই তিনি দেশের কতগুলো মৌলিক সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দেন যা দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি এবং গঙ্গার পানি চুক্তি করে দেশের দীর্ঘ দিনের সমস্যার সমাধান করেন। সে সময় তিনি বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ করেন। সেই সরকারের আরও উল্লেখযোগ্য সাফল্যের মধ্যে ছিল : দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ২১ ফেব্রুয়ারিকে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা, বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি প্রভৃতি।

২০০১ সালে জাতির ইতিহাসে আবার কালো অধ্যায়ের যাত্রা শুরু হয়। ওই বছর ১ অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচনে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে। যু'দ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী করা হয়। জ'ঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির সেনা সমর্থিত সরকার গঠনের পর শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে নির্বাসনে পাঠানোর ষড়যন্ত্র শুরু হয়। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তাঁকে গ্রে'ফতার করা হয়। ব্যাপক জনবিক্ষো'ভের মুখে তাঁকে ২০০৮ সালের ১১ জুন মুক্তি দেওয়া হয়।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে শেখ হাসিনা ‘দিন বদলের সনদ’ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ভূমিধস বিজয় লাভ করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি তিনি দ্বিতীয়বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তিনি টানা তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনা করছেন।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট জয়লাভ করার মাধ্যমে শুরু হয় রূপকল্প-২০২১-এর পথে শুভযাত্রা। তাঁর নেতৃত্বে জাতীয় প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। বর্তমানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ মার্কিন ডলার। দারিদ্র্যের হার কমে হয়েছে ২০ শতাংশ। এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান হয়েছে। সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছে। নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ সমাপ্তির পথে। ঢাকায় মেট্রোরেল প্রকল্প, দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বেশ কিছু মেগা প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। এ ছাড়া একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, নারীর ক্ষমতায়ন, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিশু বিকাশ, সবার জন্য বিদ্যুৎ, আশ্রয়ণ প্রকল্প, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রম, বিনিয়োগ বিকাশ এবং পরিবেশ সুরক্ষা, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে নানামুখী পদক্ষেপ ও কর্মপরিকল্পনা শেখ হাসিনার অনন্য নেতৃত্বের পরিচয় বহন করে।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার যে যু'দ্ধাপরাধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা বহনের সুযোগ করে দিয়েছিল সেই যু'দ্ধাপরাধীদের তিনি বিচারের ব্যবস্থা করেছেন। তাঁর সরকারের অধীনেই আন্তর্জাতিক যু'দ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। চারজন কু'খ্যাত দাগি যু'দ্ধাপরাধীর মৃ'ত্যুদন্ড কার্যকর হয়েছে। আরও অনেকের বিচারের কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব ও দেশ পরিচালনার নীতি পরিবর্তন করেছে প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবনযাত্রা। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দারিদ্র্য বিমোচনে তাঁর প্রণীত ছয় দ'ফা গৃহীত হয়েছে। সারাবিশ্বে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সংস্থা শেখ হাসিনা প্রণীত দারিদ্র্য বিমোচন নীতি অনুসরণ করে যাচ্ছে।

চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে করোনা মহামা'রী সং'ক্রমণে যখন নানা অনিশ্চয়তা তৈরি হয় তখন তা মো'কাবিলায় শেখ হাসিনা ত্বরিত বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছেন। দেশের অর্থনীতি চা'ঙ্গা রাখা এবং জীবন ও জীবিকা রক্ষায় তিনি ১ লাখ ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকার ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। পাশপাশি নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সারা দেশে ব্যাপকভাবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। করোনার সঙ্গে ঘূ'র্ণিঝড় আ'ম্ফানের আঘা'তও তিনি দক্ষতার সঙ্গে সামাল দেন।

কর্মগুণেই শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতা। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী পরিচয়ের বাইরেও একজন অভিভাবক। অবসরে তিনি বই পড়েন, লেখালেখি করেন। ফুল, পাখি, প্রকৃতি ভালোবাসেন। কৃষি খামার, বাগান করায় উৎসাহ দেন। প্রধানমন্ত্রী হয়েও নিজের হাতে রান্নাবান্না করেন।



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


কোয়ারেন্টাইনে পুরো কুরআন মুখস্ত করলেন ৬ বছরের শিশু হুনাইন

কোয়ারেন্টাইনে-পুরো-কুরআন-মুখস্ত-করলেন-৬-বছরের-শিশু-হুনাইন

নামাজ আদায়ের জন্য খুলে দেওয়া হলো মসজিদুল হারাম

নামাজ-আদায়ের-জন্য-খুলে-দেওয়া-হলো-মসজিদুল-হারাম

জিয়ারতের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর রওজা শরিফ

জিয়ারতের-জন্য-খুলে-দেওয়া-হচ্ছে-বিশ্বনবী-হজরত-মুহাম্মদ-সা-এর-রওজা-শরিফ ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


ফকির দাওয়াত পেতে এক অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ!

ফকির-দাওয়াত-পেতে-এক-অভিনব-পদক্ষেপ-গ্রহণ-

গাছের তলায় বিনা পয়সায় বছরের পর বছর গরীবদের পড়িয়ে চলেছেন এই বৃদ্ধ

গাছের-তলায়-বিনা-পয়সায়-বছরের-পর-বছর-গরীবদের-পড়িয়ে-চলেছেন-এই-বৃদ্ধ

যে ভালোবাসা কবুতরের, সে ভালোবাসা মানুষের নয়!

যে-ভালোবাসা-কবুতরের-সে-ভালোবাসা-মানুষের-নয়- এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


তামিম একাদশকে ৪ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টিকে রইলো মাহমুদউল্লাহ একাদশ

এই বেতনে সংসার চলছে না!‌ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারেন বরিস জনসন

রাজতন্ত্রের অবসান ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ঘিরে উত্তাল থাইল্যান্ড

করোনার দ্বিতীয় দফা বিস্তার রোধে জনগণকে আবারো সতর্ক করে যা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

বিচিত্র জগৎ


'৪৯ বছর বয়সেই সারা বিশ্বে ১৫০ শিশুর বাবা আমি!'

-৪৯-বছর-বয়সেই-সারা-বিশ্বে-১৫০-শিশুর-বাবা-আমি--

পৃথিবীতে ‘নরকের দরজা’, জ্বলছে ৫০ বছর ধরে!

পৃথিবীতে-‘নরকের-দরজা’-জ্বলছে-৫০-বছর-ধরে-

জেনে নিন, সাপ দেখলেই যে কারণে ঝগড়ায় জড়ায় বেজি

জেনে-নিন-সাপ-দেখলেই-যে-কারণে-ঝগড়ায়-জড়ায়-বেজি বিচিত্র জগতের সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ