শনিবার, ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:২৭:০৮

আরও কমলো ফার্মের ডিমের দাম

আরও কমলো ফার্মের ডিমের দাম

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : নতুন বছরের শুরুতে রাজধানীর কাঁচা বাজারে পিঁয়াজের দামে স্বস্তি দেখা গেছে। সরবরাহ বাড়ায় নতুন পিঁয়াজের দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। একই সঙ্গে ডিম ও মুরগির দামও আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে মাছের বাজার এখনো চড়া।

গতকাল রাজধানীর মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে নতুন পিঁয়াজ কেজিপ্রতি ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও এই পিঁয়াজের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১৩০-১৫০ টাকা। 

ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে পিঁয়াজের দামে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। আমদানি করা পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০-৭৫ টাকায়। বর্তমানে বাজারে পুরোনো পিঁয়াজের সরবরাহ খুবই কম।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আমদানি করা পিঁয়াজের পাশাপাশি মৌসুমের নতুন মুড়িকাটা পিঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় বাজারে এ দরপতন হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে নতুন পিঁয়াজ আসতে শুরু করলেও গত দুই সপ্তাহে সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। 

পিঁয়াজের পাশাপাশি আলুর দামেও বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। বর্তমানে বাজারে মৌসুমের নতুন আলুই বিক্রি হচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ আগে নতুন আলুর দাম কেজিপ্রতি ৮০ টাকার বেশি থাকলেও এখন তা কমে ২০ টাকায় নেমে এসেছে। সরবরাহ বাড়ায় পুরোনো আলুর বিক্রি কমে গেছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

শীতকালীন সবজির বাজারও বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারে শিম প্রতি কেজি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি প্রতি পিস ৩০-৪০ ও বাঁধাকপি প্রতিটি ২০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। টম্যাটো প্রতি কেজি ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোল ও লম্বা বেগুন দুটিই প্রতি কেজি ৪০ টাকায় মিলছে। পটোল ৬০ টাকা, করলা ও ঝিঙ্গে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া মুলা প্রতি কেজি ২০-৩০, লাউ প্রতি পিস ৫০-৬০, পেঁপে ৩০ এবং মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খিরা পাওয়া যাচ্ছে কেজি ৪০ টাকায়। ডালের বাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। ছোট মসুর ডাল কেজি ১৫৫ এবং মোটা মসুর ডাল ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় মুগ ডাল ১৪০, ছোট মুগ ডাল ১৭০, খেসারি ডাল ১০০, বুটের ডাল ১১৫, ছোলা ১১০ এবং মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম ২৬০-২৮০ টাকা কেজি। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে মাছের বাজারে এখনো স্বস্তি আসেনি। মানভেদে রুই প্রতি কেজি ২৮০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাতলা ৩২০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০ এবং তেলাপিয়া ১৬০-২০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

চিংড়ি ৬৫০-৭০০ টাকা কেজি। মাঝারি আকারের কই ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভোজ্য তেলের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে মোটা স্বর্ণা চাল প্রতি কেজি ৫৫-৫৮ টাকা। মাঝারি মানের পাইজাম ও বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৬০ টাকায়। মানভেদে মিনিকেট চাল ৭৫-৮৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৫ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে