রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০৬:৫০

তবে কী বাতিল হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা?

তবে কী বাতিল হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা?

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : প্রশ্ন ফাঁস ও ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। 

একই সঙ্গে তারা ৫ দফা দাবি তুলে ধরেছেন। দাবি না আদায় হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ঘোষণা দিয়েছেন। রবিবার (১১ জানুয়ারি) মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঘেরাও করে সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত পরীক্ষা নিতে হবে; সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার রাখতে হবে; স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করতে হবে এবং তার আওতায় সব পরীক্ষা নিতে হবে। একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না; যেসব প্রতিষ্ঠানে বিগত সালে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের রেকর্ড আছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্ন প্রণয়ন করার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না; প্রশ্নফাঁস হওয়ার তথ্য প্রমাণিত হলে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানকে স্বেচ্ছায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে।

জানা যায়, এসব দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানকে স্মারকলিপিও দিয়েছেন আন্দোলনকারী। আন্দোলনকারীদের মধ্যে আবু তাহের নামের এক পরীক্ষার্থী বলেন, ‘মহাপরিচালক আমাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছেন এবং আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুতই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রাথমিক অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়েছে অধিদপ্তর। বিষয়গুলো তদন্তের জন্য দ্রুতই কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেলে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত এই পরীক্ষার ফল স্থগিত রাখা হতে পারে।

জানা যায়, গত ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। পরীক্ষার কয়েক দিন আগে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার দুই দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের একটি অংশ থেকে হুবহু কয়েকটি প্রশ্ন পরীক্ষায় এসেছে। এতে প্রশ্ন ফাঁসের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

 

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে