এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘আল্লাহ কারো দম্ভ ও অহংকার পছন্দ করেন না। জামায়াতের নেতারা বলে ঢাকার একটি সিটও নাকি দেবেন না। এই কথা বলা কি অহংকার না? আমি বলি, এগুলো ঠিক নয়। এগুলো তাদের কর্মীদের সাহস দেওয়ার জন্য বোধ হয় বলে। কিন্তু এমন কিছু বলা উচিত নয়, যেটা তাদের ঈমানকে পর্যন্ত পরীক্ষায় ফেলে।’
আজ রবিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘ঢাকা-১৭ আসনে তাদের (জামায়াতের) প্রার্থী বলেছেন, ঢাকায় কোনো সিট দেবে না আরকি। আচ্ছা বলেন ভাই, সিট দেওয়ার মালিকটা কে? অবশ্যই আল্লাহ।
কার ক্ষমতায় বলতেছে যে, ঢাকায় আর কোনো আসন কাউকে দেওয়া হবে না। আরে ভাই, আমরা তো ৯১ সালে ঢাকায় সব আসন পাইছিলাম। আমরা তো বলতেছি না, অন্য কেউ কোনো আসন পাবে না। পাইতেই পারে। অসম্ভব কী, নির্বাচন তো একটা আনসার্টেন ব্যাপার।’
তিনি বলেন, ‘আল্লাহ যাকে সাহায্য করবেন জনগণ সে অনুযায়ী সমর্থন করবে এবং নির্বাচিত হবে। আমরা কখনো বলিনি, কাউকে কোনো আসন দেওয়াই হবে না। আরে ভাই, জীবনেও কোনো দিন ঢাকা মহানগর তো দূরের কথা, আশপাশেও তো কোনো দিন কোনো আসন পান নাই। এই কথা বলাটা কি একটা অহংকার না? এটা একটা দম্ভ না?’
তিনি পোস্টাল ব্যালট নিয়ে বলেন, ‘শুরুতে দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি ও হাতপাখা দেওয়া হয়েছে।
আর ধানের শীষ দিয়েছে মাঝে, যেখানে ব্যালট পেপার ভাঁজ করলে ভাঁজের মধ্যে পড়ে যায়। আমরা এটা নিয়ে আলোচনা করলাম নির্বাচন কমিশনে। তারা বলল, এটা আমরা করি নাই। এখানে আমরা তো খেয়ালও করি নাই, এটা অফিসের লোকেরা করেছে। এটা এভাবে হইছে এটা আমরা বুঝতে পারি নাই।’
তিনি বলেন, ‘দ্বৈত নাগরিকত্বের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন নাকি দুর্বল আচরণ করেছে। আমাদের দেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা আছে, বাংলাদেশে জন্মসূত্রে কোনো নাগরিক যদি বিদেশের কোনো দেশের নাগরিক থেকে থাকেন, তিনি যদি সেই নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেন, তাহলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে তার কোনো বাধা নেই। কোথাও বলে নাই আপনি পরিত্যাগ করলেন সেটা ওই দেশে গ্রহণ হইল কি হইল না, এটা নিয়ে কোনো শর্তারোপ করা নাই। একইভাবে আমাদের আরপিও অনুযায়ী, হলফনামায় আপনি আপনি দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছে কি করেন নাই, সেটা জানতে চাওয়া হয়েছে। সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে কি, হয়নি সেটা জানতে চাওয়া হয়নি।’