এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : দেশে স্বর্ণের বাজারে একের পর এক রেকর্ড দাম সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে প্রশ্ন জাগিয়েছে— স্বর্ণের ভরি কি খুব শিগগিরই ৩ লাখ টাকা ছাড়াবে? আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিহাসে প্রথমবার প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ডলার ছাড়ানোর পর দেশের বাজারেও তার সরাসরি প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
সর্বশেষ বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষিত দরে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিলে স্বর্ণের ভরি ৩ লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছানো এখন আর অসম্ভব কোনও কল্পনা নয়। তবে এর গতি ও সময় নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের অবস্থান এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার ওপর।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দামের সঙ্গে ডলারের বিনিময় হার, স্থানীয় কাঁচামাল (তেজাবি স্বর্ণ) ও কর কাঠামোর সম্মিলিত প্রভাবেই এই উচ্চতায় পৌঁছেছে দেশীয় স্বর্ণের দাম।
আন্তর্জাতিক বাজার থেকে দেশীয় বাজারে রূপান্তর
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয় ডলার প্রতি আউন্স হিসাবে। ২৬ জানুয়ারি বিশ্ববাজারে যখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রায় ৫ হাজার মার্কিন ডলার ছুঁয়েছে, তখন ডলারের বাজারদর গড়ে ১২০ টাকা ধরলে প্রতি আউন্স স্বর্ণের টাকার মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৬ লাখ টাকা।
এক আউন্সে থাকে ৩১.১০৩৫ গ্রাম স্বর্ণ। আর বাংলাদেশের প্রচলিত হিসাবে এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১.৬৬৪ গ্রাম। সে হিসাবে আন্তর্জাতিক বাজারে ৫ হাজার ডলার দরের স্বর্ণের প্রতি ভরির মৌলিক মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজার টাকার কাছাকাছি।
তবে আন্তর্জাতিক দরের এই মৌলিক মূল্যের সঙ্গে দেশীয় বাজারে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যয় যুক্ত হয়। এর মধ্যে রয়েছে— স্থানীয় বাজারে তেজাবি (রিফাইন্ড) স্বর্ণের দাম, স্বর্ণ আমদানির খরচ ও ঝুঁকি প্রিমিয়াম, ভ্যাট ও অন্যান্য সরকারি কর, বাজার ব্যবস্থাপনা ও মজুত ব্যয়। সব ব্যয় যোগ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে মূল্য সমন্বয় করে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে।
দেড় বছরে দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালের আগস্টে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ছিল প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকার আশপাশে। সেখান থেকে দেড় বছরের ব্যবধানে দাম বেড়ে এখন ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে—অর্থাৎ এই সময়ে ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
এই বৃদ্ধির বড় অংশই এসেছে আন্তর্জাতিক বাজারের লাগাতার ঊর্ধ্বগতির কারণে। একই সময়ে দেশে ডলারের উচ্চ বিনিময় হার ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিও দাম বাড়ার পথ সুগম করেছে।
কেন থামছে না দাম
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার পেছনে যে কারণগুলো কাজ করছে—ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সুদের হার নিয়ে সংশয় ও নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা—সেগুলোর দ্রুত অবসান হচ্ছে না। ফলে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দামে বড় ধরনের সংশোধনের সম্ভাবনা আপাতত কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডলার বাজারে চাপ অব্যাহত থাকায় আমদানি-নির্ভর পণ্যের মতো স্বর্ণের দামও ঊর্ধ্বমুখী থাকছে। এর প্রভাব পড়ছে বিয়ের মৌসুম ও খুচরা বাজারে।
প্রধান তিন কারণে বাড়ছে স্বর্ণের দাম
অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বর্ণের দামের এই দ্রুত ঊর্ধ্বগতির পেছনে একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করছে।
প্রথমত, বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি, ইউরোপে নিরাপত্তা উদ্বেগ, যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বড় শক্তিগুলোর পারস্পরিক টানাপোড়েন বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে সরিয়ে নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ঐতিহাসিকভাবে স্বর্ণকে সবচেয়ে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে দেখা হয়।
দ্বিতীয়ত, সুদের হার কমার প্রত্যাশা। যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় অর্থনীতিগুলোতে মুদ্রানীতি শিথিল হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। সাধারণত সুদের হার কমলে বন্ড, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানতের রিটার্ন কমে যায়। ফলে স্বর্ণের মতো বিকল্প বিনিয়োগের চাহিদা বেড়ে যায়।
তৃতীয়ত, ডলারের দুর্বলতা। ডলার দুর্বল হলে অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণ তুলনামূলকভাবে সস্তা হয়ে ওঠে, যা বৈশ্বিক চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েন ও ইউরোর বিপরীতে ডলারের দরপতন স্বর্ণবাজারকে আরও উত্তপ্ত করেছে।
এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ব্যাপক স্বর্ণ ক্রয়ও বাজারে বড় প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে চীন টানা ১৪ মাস ধরে স্বর্ণ কিনে যাচ্ছে। একইসঙ্গে স্বর্ণভিত্তিক এক্সচেঞ্জ– ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) রেকর্ড বিনিয়োগ প্রবাহ স্বর্ণের দামকে আরও ওপরে ঠেলে দিচ্ছে।
বিশ্ববাজারে রেকর্ড, দেশের বাজারে চাপ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ৩ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান টানাপোড়েন এবং ভেনিজুয়েলা ঘিরে সংকট আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন বলেন, ‘‘ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট দ্রুত সমাধান না হলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ৩ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।’’
তিনি বলেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভেনিজুয়েলা ও ইরানের চলমান টানাপোড়েন আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন, যা দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।’’
ডা. শাহীন আরও জানান, স্বর্ণের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের বাজারে বেচাকেনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বর্তমানে স্বর্ণের বিক্রি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কমতে কমতে প্রায় ১০ শতাংশে নেমে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘‘মূল্যস্ফীতি বাড়লে মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ খাত এড়িয়ে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়ে, যা দামের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।’’ তিনি বলেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা, কিংবা ভেনিজুয়েলা সংকটের মতো ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের প্রতি চাহিদা দ্রুত বেড়ে যায়।’’
ড. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ‘‘আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার নিম্নমুখী থাকলেও স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। কারণ, সুদের হার কমলে অন্যান্য বিনিয়োগের রিটার্ন কমে যায় এবং ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। এর সরাসরি প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজার হয়ে দেশের বাজারেও পড়ে।’’
সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব
স্বর্ণের এই লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করছে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর। বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে স্বর্ণের ব্যবহার কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা। অনেক পরিবার গয়নার ওজন কমিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ স্বর্ণ কেনার সিদ্ধান্তই পিছিয়ে দিচ্ছেন।
একইসঙ্গে স্বর্ণভিত্তিক ক্ষুদ্র ব্যবসা, কারিগর ও জুয়েলারি শিল্পেও মন্দাভাবের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
শুধু রাজধানী ঢাকা নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতেও স্বর্ণের বাজারে এখন চরম মন্দাভাব। অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্বর্ণের গয়নার ক্রেতা কমে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। আগে বিয়ে, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা উপহার হিসেবে স্বর্ণের গয়না দেওয়ার যে প্রচলিত রীতি ছিল, তা এখন প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। দুই হাজার, পাঁচ হাজার কিংবা ১০ হাজার টাকায় ভালো মানের একটি গয়না তৈরি করে উপহার দেওয়ার সুযোগ এখন আর নেই।
পাবনার স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবদুল কাদের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “যেভাবে স্বর্ণের দাম বাড়ছে, তাতে আগামী তিন মাসের মধ্যেই প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন লাখ টাকায় পৌঁছাতে পারে।” তিনি জানান, স্বর্ণের দাম অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় দেশে স্বর্ণ কেনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিশেষ করে গত এক বছরে স্বর্ণের বেচাবিক্রি অন্তত ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
তার ভাষায়, “পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন নতুন করে স্বর্ণ কেনার প্রবণতা খুবই কম। যারা দোকানে আসছেন, তাদের বেশিরভাগই পুরোনো স্বর্ণ বিক্রি না করে তা দিয়ে নতুন গয়না তৈরি করাচ্ছেন।”
আরেক স্বর্ণ ব্যবসায়ী অমিত ঘোষ বলেন, ‘‘সামগ্রিকভাবে অন্যান্য ব্যবসা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ভালো থাকলে স্বর্ণের কেনাবেচাও স্বাভাবিকভাবে বাড়ে। কিন্তু বর্তমানে বাজারে সার্বিক মন্দাভাব বিরাজ করছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়।’’ তিনি বলেন, “স্বর্ণের দাম যত বাড়ছে, দেশীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা ততই সংকটে পড়ছেন। উচ্চ দামের কারণে ক্রেতা কমে যাওয়ায় বেচাবিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছে।”
অর্থনীতির জন্য কী বার্তা দিচ্ছে স্বর্ণের দাম
বিশ্লেষকদের মতে, স্বর্ণের দাম দ্রুত বাড়া বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য একটি সতর্ক সংকেত। সাধারণত যখন মুদ্রাস্ফীতি, আর্থিক অস্থিরতা বা রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়ে, তখনই বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন। অর্থাৎ স্বর্ণের এই উত্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে— বিশ্ব অর্থনীতি এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়।
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম বছরে ৬৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে, যা ১৯৭৯ সালের পর সর্বোচ্চ বার্ষিক বৃদ্ধি।
তাহলে কি ভরি ৩ লাখ টাকা ছুঁবে?
বিশেষজ্ঞদের অভিমত—বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনা, ডলারের দুর্বলতা এবং নিরাপদ বিনিয়োগের প্রবণতা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে স্বর্ণের ভরি ৩ লাখ টাকা ছোঁয়ার আলোচনা আরও জোরালো হবে।
তবে তারা এটাও বলছেন, যদি ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কমে, ডলার শক্তিশালী হয় বা সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ থাকে—তাহলে স্বর্ণের দামে সাময়িক সংশোধন বা স্থিতিশীলতা আসতে পারে।
সব মিলিয়ে স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বগতি শুধু গয়নার বাজারের গল্প নয়, এটি বৈশ্বিক ও দেশের অর্থনীতির ভেতরের চাপ, অনিশ্চয়তা ও বিনিয়োগকারীদের মানসিকতারই প্রতিফলন। তাই প্রশ্নটি এখন আর শুধু কৌতূহলের নয়—স্বর্ণের ভরি ৩ লাখ ছাড়াবে কিনা, সেটিই হয়ে উঠেছে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ইঙ্গিতের এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক।