এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ‘সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর (হ্যান্ডওভার) হবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি তিন দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে। অর্থাৎ ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই তা হতে পারে। আমার মনে হয় না এটি ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির বেশি সময় নেবে।’
তিনি বলেন, ‘এমপিরা শপথ নেওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।’
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেসসচিব বলেন, ‘নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত পরবর্তী সরকারে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা থাকবে না। নির্বাচনের পরপরই নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণের পর তাদের প্রতিনিধির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। প্রক্রিয়াটি যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা হবে।’
তিনি বলেন, “বাংলাদেশে আগে নাটক করে যেসব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড (এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং) ঘটানো হতো, এখন তেমন একটি ঘটনাও ঘটছে না। যারা অতীতে এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে এবং বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে। আমাদের বড় একটি দায়িত্ব হলো নির্বাচনের জন্য দেশকে প্রস্তুত করা।
রাষ্ট্রব্যবস্থাকে একটি ভালো সংস্কারের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘জুলাই চার্টার’ তৈরি করা হয়েছে। জুলাই চার্টার এখন গণভোটে (রেফারেন্ডাম) এসেছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশের জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এর ফলাফল জানাবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতি আগে দুই-তিনজন লোকের হাতে কুক্ষিগত ছিল। সেখানে এখন একটি বড় পরিবর্তন এসেছে।
আমাদের মেয়াদ যখন শেষ হয়ে আসবে, অর্থাৎ সরকার ছাড়ার আগ মুহূর্তে উপদেষ্টারা তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করবেন।’
তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর (হ্যান্ডওভার) হবে। এমপিরা শপথ নেওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি তিন দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে। অর্থাৎ ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই তা হতে পারে। আমার মনে হয় না এটি ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির বেশি সময় নেবে।’