এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ অথবা ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে পারে ঈদুল ফিতর। এবার সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীরা কতদিন ছুটি কাটাতে পারবেন, তা নিয়ে কৌতুহল রয়েছে।
ঈদের ছুটিতে রাজধানী ছাড়েন অসংখ্য মানুষ। ফলে পথে পথে তৈরি হয় দীর্ঘ যানজনসহ নানা ভোগান্তি। কিন্তু বাড়তি ছুটি থাকলে এ ভোগান্তি অনেকটা কমে আসে বলে অভিমত অনেকের। তাই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাহী আদেশে বাড়তি ছুটিও ঘোষণা করতে দেখা গেছে।
সরকার অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি মোট ৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঈদের ছুটি শুরুর একদিন আগে শবে কদরের ছুটি ও তিন দিন পর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি থাকায় মোট ছুটি কোনোভাবে বাড়বে কি-না, তা নিয়ে কৌতুহল আছে অনেকের মধ্যে।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে ঈদ। যদি ১৯ মার্চ চাঁদ দেখা যায়, তাহলে ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতর। আর যদি রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়, তাহলে আরও একদিন পর ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে।
২০ মার্চ ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ হিসাব করে সরকারিভাবে ১৮ মার্চ বুধবার থেকে ২২ মার্চ রোববার পর্যন্ত ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
২৭ রমজান শবে কদরের সরকারি ছুটি থাকে সব সময়। এ বছর ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শবে কদরের বন্ধ আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে। পরদিন ১৮ মার্চ বুধবার থেকেই শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনের ঈদের সরকারি ছুটি। এই ছুটি শেষ হবে ২২ মার্চ রোববার।
এর পর ২৩, ২৪ ও ২৫ মার্চ তিন দিন অফিস আদালত খোলা থাকবে। তবে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের ছুটি রয়েছে। পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। সেই হিসাবে সরকারি চাকরিজীবীরা ২৩, ২৪ ও ২৫ মার্চ তিন দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১২ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পেতে পারেন।
আর সরকার ঘোষিত ছুটিতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানই বন্ধ থাকে। তবে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষই মূলত ছুটি নির্ধারণ করে থাকে।