এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : আসছে ঈদুল ফিতর। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার ব্যাকুলতা আর উৎসবের প্রস্তুতির মাঝে আকাশের এই ‘অভিমানী’ রূপ এখন অনেকের কপালে ফেলেছে চিন্তার ভাঁজ। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, এই অকাল বৃষ্টি আর মেঘের আনাগোনা সহজে থামছে না; বরং ঈদের আনন্দযাত্রায় সঙ্গী হতে পারে বৃষ্টির ঝাপটা।
এখনও ঈদের বাকি আছে আনুমানিক সাতদিন। এ অবস্থায় আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক বলেন, আপাতত ধারণা করা যাচ্ছে, ইদের দিন দেশের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হবে। তবে তা সাময়িক।
তিনি আরও বলেন, মার্চ, এপ্রিল ও মে মাস হলো কালবৈশাখীর উপযোগী সময়। কিন্তু এখন পর্যন্ত দেশে কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানেনি। তবে আগামী কয়েকদিনের মাঝে এটি বিক্ষিপ্তভাবে আঘাত হানতে পারে।
তিনি জানান, আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি দেখা যাচ্ছে আগামী ১৬ ও ১৭ মার্চ। অর্থাৎ, তখন বেশিরভাগ মানুষই ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়ির পথে থাকবেন। সেক্ষেত্রে তখন বৃষ্টির কারণে তাদের ঈদযাত্রায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটতে পারে।
আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক বলেন, ১৬ ও ১৭ তারিখ বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে একটি সাময়িক বিরতি আসতে পারে। কিন্তু একাবারে বৃষ্টিহীন হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। এখন যেহেতু মার্চ মাস, তাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় অল্প সময়ের বৃষ্টি হবে। যেখানেই বৃষ্টি হবে, সেখানে এটি আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টার মাঝে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রপাত হতে পারে।
তিনি আরও জানান, একটানা বৃষ্টি কোথাও হবে না। কিন্তু কোথায় কোথায় সাময়িক বৃষ্টি হবে, তা এত আগে বলা মুশকিল। কারণ প্রতিদিনই দৈনন্দিন পূর্বাভাসে কিছু না কিছু পরিবর্তন হয়। ঈদের এই সময়ে খুব বেশি বাতাস হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৬০ বা ৭০ কিলোমিটার বেগে বাতাস হবে, এমনটা নয়। ৪০ বা ৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস হতে পারে। সাথে কোথাও বিজলি চমকাতে পারে, বজ্রপাতের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
তবে তিনি এটি বারবার উল্লেখ করেছেন, তিন দিনের মাঝে আবহাওয়ার পূর্বাভাস সবচেয়ে ভালোভাবে বলা যায়। পূর্বাভাস যত দীর্ঘমেয়াদি হয়, তার অ্যাকুরেসি তত কমতে থাকে। সূত্র- বিবিসি বাংলা।