এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : চলতি বছর হজ পালনে সৌদি আরবে গিয়ে এখন পর্যন্ত ২৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ১৭ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী।
তাদের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ১৫ জন এবং মদিনায় ৯ জন। সর্বশেষ ২২ মে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তারা হলেন–চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (৬১), কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের সালেহা বেগম (৫০) এবং ঢাকার মোহাম্মদপুরের কাজী মো. গিয়াসউদ্দীন (৭২)।
আজ শনিবার (২৩ মে) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ম্যানেজমেন্ট পোর্টালের মৃত্যুসংক্রান্ত তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
পোর্টাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর হজে গিয়ে প্রথম মৃত্যু হয় গত ২১ এপ্রিল। ওই দিন জয়পুরহাট সদরের মো. নইম উদ্দীন মণ্ডল (৭৫) মারা যান। এরপর ২২ এপ্রিল টাঙ্গাইল সদরের মো. আবুল কাশেম (৭০), ২৫ এপ্রিল ময়মনসিংহের পাগলার মো. সেরাজুল হক (৬৬) এবং ২৬ এপ্রিল দিনাজপুরের বিরামপুরের মো. খলিলুর রহমান (৬৪) মারা যান।
এ ছাড়া ২৭ এপ্রিল শেরপুরের শ্রীবরদীর মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (৫৮) ও জামালপুরের মাদারগঞ্জের মো. আব্দুল হাই (৬১) এবং ২৮ এপ্রিল রংপুর কোতোয়ালি মেট্রোর মো. শামসুল আলম (৬৩) মারা যান।
পরে ৩ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেলের মাহফুজা বেগম (৫২) ও ফরিদপুর সদরের মো. নাসিরউদ্দিন বিশ্বাস (৫৮), ৪ মে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের মোছা. নিলুফা বেগম (৫৭), ৮ মে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের মো. আজহারুল হক (৬৪) এবং যশোর কোতোয়ালির মো. আব্দুল মতিন (৫৪) মারা যান।
এ ছাড়া ১১ মে ঢাকার সাভারের নুসরাত শারমীন (৬২), ১২ মে গাজীপুর সদরের নাসরীন জাহান (৩৭), ১৫ মে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মো. এ মজিদ (৭৫), ১৬ মে ঢাকার তেজগাঁওয়ের এন এম মনিরুল হক (৪৪), ১৭ মে ফেনীর সোনাগাজীর সাজেদা বেগম (৫৬), ১৮ মে নরসিংদীর শিবপুরের মো. আজিজুর রহমান (৬৬), ২০ মে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মো. কামাল হোসাইন (৬১) ও সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মো. জাকির হোসেন (৬২), এবং ২১ মে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের সুলতানা চৌধুরী (৭৯) মারা যান।
সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, হজ করতে গিয়ে কেউ মারা গেলে তার মরদেহ সেখানেই দাফন করা হয়। মরদেহ নিজ দেশে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবারের আপত্তিও গ্রহণ করা হয় না।
হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট গত ১৮ এপ্রিল শুরু হয়। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে থেকে। দেশে ফেরার শেষ ফ্লাইট আগামী ৩০ জুন।