এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবর অনুযায়ী, পলাতক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা আগামী ৫ আগস্ট প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে পারেন— এ বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশে হাসিনার যেকোনো কর্মকাণ্ড দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার এবং সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখতে পারেন-সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এ খবরটিও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং হাইকমিশনারের আলোচনায় উঠে আসে।
হুমায়ুন কবির হাইকমিশনারকে জানান, পলাতক শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশে কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
ভারতের হাইকমিশনার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার আশ্বাস দেন।