এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি ছুটি শুরু হবে ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার থেকে। এদিন মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। পরদিন ২১ অক্টোবর, বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে থাকবে সাধারণ ছুটি। ফলে সরকারি ছুটির হিসাবে দুর্গাপূজায় মোট দুই দিন ছুটি থাকবে।
তবে এই সরকারি ছুটি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের অনেককেই ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ছুটির ধরন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
হাসপাতাল ও জরুরি সেবা
দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি থাকলেও হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবা চালু থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশকে ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে।
সরকারি ছুটির দিনেও সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রম চালু থাকে। ফলে টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনেক কর্মীকে ছুটির দিনে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান
দুর্গাপূজার সরকারি ছুটির দিনে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কিছু শাখা বা নির্দিষ্ট সেবা চালু থাকতে পারে। এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন সিদ্ধান্ত
সরকারি ছুটি হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য নাও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি দেওয়া বা কর্মীদের দায়িত্বে রাখার ব্যবস্থা করা হতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলাদা সূচি
স্কুল-কলেজে দুর্গাপূজার ছুটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ছুটি ঘোষণা করতে পারে। ফলে সরকারি ছুটির দুই দিনই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে—এমনটি নয়।
এদিকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মূল সরকারি ছুটির বাইরে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটি রাখা হয়েছে। ১৮ অক্টোবর, রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর, সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে তারা এই ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।
তাই দুর্গাপূজায় কোথায় কতদিন ছুটি থাকবে, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ছুটির নোটিশ অনুসরণ করাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।