মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:৩৭:৪৭

শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে: সোহেল তাজ

শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে: সোহেল তাজ

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তার ঘটনায় এবার মুখ খুললেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এই প্রতিক্রিয়া জানান সোহেল তাজ।

তিনি লিখেছেন, ‘নিউজে প্রফেসর ইউনূসকে নিউ ইয়র্কের জেএফকে এয়ারপোর্টে হেনস্তা করার ভিডিও দেখে হতবাক হয়ে গেলাম। কতটুক নির্লজ্জ বেহায়া হলে নিজেরাই যেই গণহত্যা, গুম, খুন, দুর্নীতি করেছে, গণতন্ত্রকে কবর দিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল; তারাই এখন সেই দায় আরেকজনের উপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এটাই হচ্ছে সাবেক স্বৈরাচার পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাদুর ট্যাবলেট, এই ট্যাবলেট খেয়ে এদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।’

এমন আচরণকে সাইকোলজিস্ট বা সাইক্রিয়াটিস্টরা দুই ক্যাটাগরিতে ফেলে বলেও জানান সোহেল তাজ। যার মধ্যে একটি হচ্ছে গ্যাসলাইটিং ও আরেকটি প্রজেকশন।

গ্যাসলাইটিং মানে হলো এক ধরনের সাইকোলজিক্যাল ম্যানিপুলেশন ও ইমোশনাল অ্যাবিউজ। যেখানে একজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে অন্য কাউকে মিথ্যা তথ্য দেয় বা ঘটে যাওয়া ঘটনা অস্বীকার করে। এর ফলে ভুক্তভোগী ব্যক্তি নিজের স্মৃতি, উপলব্ধি, বিচারবুদ্ধি কিংবা মানসিক সুস্থতা নিয়েই সন্দেহ করতে শুরু করেন।

আর সাইকোলজিক্যাল প্রজেকশন হলো একটি মানসিক আত্মরক্ষামূলক প্রক্রিয়া। যেখানে একজন ব্যক্তি নিজের অবাঞ্ছিত, কষ্টদায়ক বা অগ্রহণযোগ্য চিন্তা, অনুভূতি, উদ্দেশ্য কিংবা অনিরাপত্তাগুলো অন্যের ওপর আরোপ করেন।

প্রসঙ্গত, নিউইয়র্ক বিমানবন্দরের লবি দিয়ে যাওয়ার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ করে কটূক্তি ও চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। এ সময় কটূক্তিকারীদের মধ্যে কয়েকজন উচ্চস্বরে নানা অভিযোগ তুলে ড. ইউনূসকে প্রশ্ন করতে থাকেন।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে।