স্পোর্টস ডেস্ক : চলছে আইপিএল। এর মধ্যেই অবসরের খবর জানিয়ে দিলেন আফগানিস্তানের তারকা ক্রিকেটার রশিদ খান। শারীরিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি। জানালেন, পিঠের অস্ত্রোপচারের পর আর কতটা টেস্ট ক্রিকেট খেলতে পারবেন তা অনিশ্চিত।
মূলত, অতিরিক্ত খেলার চাপ থেকে বাঁচতেই এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন আফগানিস্তানের এই কিংবদন্তি স্পিনার। আইপিএলে বুধবার গুজরাটের হয়ে দিল্লির বিপক্ষে ৩ উইকেট নিয়েছেন রশিদ। তারপরেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
রশিদ খান বলেন, ‘আমাকে ডাক্তার আগেই বলে দিয়েছেন, লাল বলের ক্রিকেট থেকে দূরে থাকতে ফলে লাল বলের ক্রিকেট খেলা একটু চাপের বিষয় আমার কাছে। আমার সার্জারির পরেও আমি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছিলাম ও ৬৭ ওভার বল করেছিলাম। এরপরেই ডাক্তার আমাকে জানিয়েছিলেন, শুধু লাল বলের ক্রিকেট খেলতে কিন্তু যখন তিনি জানতে পারলেন এই বিষয়ে, তিনি আমাকে শরীরের সঙ্গে অত্যাচার করতে না করলেন।’
২০১৭ সালে প্রথম আইসিসি টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছিল আফগানিস্তান। এরপর থেকে তারা মোট টেস্ট ম্যাচ খেলেছে ১২টি ও রশিদ নিজে খেলেছেন ৬টিতে। ২০২৩ সাল থেকেই পিঠের চোট ভাবাচ্ছে রশিদকে। লন্ডনে অস্ত্রোপচার করেন ২০২৪ সালে। ধারণা করা হচ্ছে, সারা বছর ধরে দেশের হয়ে খেলার সঙ্গে নানা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলেন রশিদ। ফলে অত্যাধিক চাপ নিতে হয় তাকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে টেস্ট ম্যাচে ধকলের ফলে শরীর ভেঙে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রশিদ জানান, তার সম্পূর্ণ মনোযোগ এখন ২০২৭ বিশ্বকাপে। তার ভাষ্যমতে, ‘আফগানিস্তানের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার মতো ফিটনেস আমার আছে। তবে লাল বলের ক্রিকেট খেলা এই মুহূর্তে বেশ কঠিন। শেষ দুই টেস্টে বল করেছি ১২৬ ওভার তাই এবার একটু ধীরগতিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। টেস্ট ক্রিকেট খেলে বেশি ঝুঁকি আমি নেব না।’
গতবছর আইপিএলে চোটের কারণে নিজের ১০০ শতাংশ দিতে পারেননি রশিদ। তবে বুধবার ১৭ রানে নিলেন ৩ উইকেট। তার কারণেই অবশেষে জয়ের খাতা খুলতে সক্ষম হয় গুজরাট।