স্পোর্টস ডেস্ক : প্রায় তিন বছর অপেক্ষার পর আবারও ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নামলেন নেইমার। আর সেই প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তটি রূপ নিল আবেগঘন এক দৃশ্যে।
ম্যাচ শুরুর আগেই ব্রাজিলের বেঞ্চের সামনে ভিড় করেন ফটোগ্রাফাররা। সবার নজর ছিল এক ব্যক্তির দিকে—'নেইমার'। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জাতীয় দলে ফিরছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
অবশেষে আসে সেই মুহূর্ত। ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ম্যাথিউস কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার। ৯৮১ দিন পর আবারও ব্রাজিলের জার্সিতে দেখা যায় তাকে। তখন ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল, ফলে দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল।
মাঠে নেমে বড় কোনো প্রভাব রাখতে না পারলেও ম্যাচ শেষে ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শেষ বাঁশি বাজার পর গ্যালারির দিকে এগিয়ে যান নেইমার। সেখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা হতেই আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি।
গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী ব্রুনা বিয়ানকার্দি, যিনি বর্তমানে তাদের সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন। ছিলেন নেইমারের বড় ছেলে ডেভি লুকাও। বাবার কাছে যেতে গিয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের বাধার মুখে পড়লেও পরে পরিস্থিতি পরিষ্কার হলে বাবা-ছেলের আবেগঘন আলিঙ্গনে আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে নেইমার বলেন, 'খেলার পর আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম। পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সবাই কাঁদছিল, হাসছিল, আনন্দ করছিল। এটা ছিল অসাধারণ এক অনুভূতি।'
জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। নেইমার বলেন, 'আমার লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপে খেলা এবং আবার ব্রাজিল দলে ফেরা। এই জার্সি পরতে আমি সবসময় ভালোবাসি। জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা আমার জন্য বিশেষ কিছু।'