এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : নোয়াখালীর উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ধরা পড়েছে একটি বড় আকারের ‘রাজা ইলিশ’। উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছটি ১০ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাটে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি করা হয়।
জানা গেছে, মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে স্থানীয় জেলে জাহিদ মাঝির জালে বিশালাকৃতির এই ইলিশটি ধরা পড়ে। সকালে মাছটি বিক্রির উদ্দেশে চেয়ারম্যান ঘাটের মৎস্য আড়ত ‘সাদিয়া ফিশ এজেন্সি’তে আনা হয়। সেখানে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলামে উপস্থিত মৎস্য ব্যবসায়ীদের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৯০০ টাকা দর হাঁকিয়ে মাছটি কিনে নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী বিষ্ণু বেপারি।
নিলাম পরিচালনাকারী কুতুবউদ্দিন বাবু জানান, মাছটির আকার ও ওজন বেশ ভালো হওয়ায় ডাক শুরু হতেই পাইকারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ দেখা যায়। দর হাঁকাহাঁকির একপর্যায়ে দাম সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৯০০ টাকায় পৌঁছায় এবং ওই দরেই বিক্রি চূড়ান্ত করা হয়।
সাদিয়া ফিশ এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মো. সালাউদ্দিন বলেন, চেয়ারম্যান ঘাটে বড় আকারের ইলিশ এলে স্বাভাবিকভাবেই ব্যবসায়ীদের বাড়তি আগ্রহ থাকে। এই রাজা ইলিশটির ক্ষেত্রেও ভালো দাম পাওয়া গেছে এবং সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বিষ্ণু বেপারি মাছটি সংগ্রহ করেছেন।
ঘাটের আরেক মৎস্য ব্যবসায়ী মো. আকবর হোসেন জানান, মেঘনা নদীতে সাধারণ ইলিশের পাশাপাশি যখনই বড় আকারের বা ‘রাজা ইলিশ’ ওঠে, বাজারে এর বাড়তি কদর থাকে। আকার ভালো হওয়ায় মাছটির নিলামে প্রত্যাশিত দাম উঠেছে।
নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, মেঘনা নদীতে ইলিশের বিচরণ, আকার ও প্রাপ্যতা অনেকটাই নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। জেলেদের জালে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া অত্যন্ত আনন্দের। তবে ইলিশের ধারাবাহিক উৎপাদন ও অবাধ প্রজনন নিশ্চিত করতে সব জেলেকে সরকারি নির্দেশনা ও সুরক্ষা নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।