সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:৪৯:০০

৩টি বাতি, ২টি ফ্যান ও ১টি ফ্রিজে বিদ্যুৎ বিল এলো ১ লাখ ১০ হাজার টাকা!

৩টি বাতি, ২টি ফ্যান ও ১টি ফ্রিজে বিদ্যুৎ বিল এলো ১ লাখ ১০ হাজার টাকা!

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : প্রতি মাসে যেখানে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা আসছিল বিদ্যুৎ বিল, সেখানে এবার বিল এলো ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা। টাকার অংক দেখে স্বাভাবিকভাবেই হতবাক এবং বেকায়দায় গ্রাহক।

এমনই পিলে চমকে ওঠা বিদ্যুৎ বিল হাতে পেয়েছেন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক শহীদুল ইসলাম রনি।

অথচ, তার ঘরে রয়েছে তিনটি বাতি। এর সঙ্গে চলে দুটি ফ্যান আর একটি ফ্রিজ। এছাড়া রয়েছে আইপিএস। গত আগস্টে এসবের জন্য শহীদুল ইসলাম রনির বিদ্যুৎ বিল এসেছিল ১ হাজার ৩২৬ টাকা। আগের কয়েকটি মাসেও এর কাছাকাছি বিল ছিল। তবে সেপ্টেম্বরে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিল একলাফে হয়ে গেল ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা।

গ্রাহক শহীদুল ইসলাম জানান, তাদের ঘরে ফ্যান, বাতি ও আইপিএসের বাইরে কোনও ভারী বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চলে না। বিগত পাঁচ মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে গড়ে ১৮৭ ইউনিট। কিন্তু সেপ্টেম্বরে বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখানো হয়েছে ছয় হাজার ইউনিট।

তিনি বলেন, আমি নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছি। চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিলের কপি হাতে পেয়ে হতবাক হয়ে যাই। বাতি-ফ্যান চালিয়ে কীভাবে এক লাখ টাকার বেশি বিল আসতে পারে?

পল্লী বিদ্যুতের বিল প্রস্তুতে নিয়োজিত কর্মীদের গাফিলতি ও দায়িত্বহীন আচরণের কারণেই এমন ভুতুড়ে বিল তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ এই গ্রাহকের।

শহীদুল ইসলাম জানান, পল্লী বিদ্যুতের যে কর্মী বিল নিয়ে আসেন, তার কাছে তাৎক্ষণিক অভিযোগ করা হয়। তখন ওই কর্মী জানান, ভুল সংশোধনের জন্য তাদের কার্যালয়ে যেতে হবে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে পল্লী বিদ্যুতের এই গ্রাহক বলেন, ‘তারা ভুল করবে, আর তা সংশোধনের জন্য আমাদের তাদের দরজায় দরজায় ঘুরবো, এটি কোন ধরনের কথা। আমি চাই, এর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি হোক।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমান বলেন, ‘বিলের কপি না দেখে আমি কোনো মন্তব্য করতে পারবো না।’

পরে বিলের কপি পাঠানো হলে তিনি বলেন, ‘এটি ভুলবশত হয়েছে। শিগগিরই ওই গ্রাহকের বাড়িতে বিদ্যুতের লোকজন গিয়ে মিটার পরীক্ষা করে আসবেন। গ্রাহকের বিল সংশোধন করে দেওয়া হবে।’

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে।