বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬, ০৮:৫৯:৫৯

প্রতিউত্তর

প্রতিউত্তর

বিদ্বেষমূলক ও রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্যের জন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও)-এর নিবন্ধন বাতিলের বিধান রেখে সংসদে পাস হওয়া আইনের বিরোধিতার সমালোচনা করেছেন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যমের যে অধিকার আছে, এনজিওর সেটা নেই। ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন নাগরিকের জন্য। এনজিও এখানে অনেক ইনফিরিওয়র।

মঙ্গলবার সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সুরঞ্জিত বলেন, এনজিও সাধারণ আইনের দ্বারা জন্ম নিয়েছে। কিন্তু গণমাধ্যমকে সংবিধানের অধীনে একটা আইনের মাধ্যমে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। তোমরা (গণমাধ্যম) বলতে পারো। তোমাদের মানবাধিকারের প্রটেকশন আছে। কোনো ফরেন বডির তো সেটা নেই। একজন নাগরিক মত প্রকাশ করে অনেক কথা বলবে। সেটা তার অধিকার। এনজিও আইনের অধীনে কাজ করবে। যদি বিরোধী দলের মতো কথা বলতেই হয় তাহলে অপজিশনে যাও।

পাস হওয়া নতুন আইন সম্পর্কে তিনি বলেন, এটা নতুন কোনো আইন না। ১৯৭৮ সালে একবার পাশ হয়, পরে ১৯৮২ সালে মার্শাল ল দিয়ে এটা রোহিত করা হয়েছিল। সেটাকেই আমরা নতুন কিছু করেছি।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, একটা সার্বভৌম সংসদকে তো কোনো ফরেন বডি গালি দিতে পারে না। তাহলে সার্বভৌমত্ব থাকে না। পৃথিবীর কোথাও এটা নেই। কাজ করতে হলে এই আইনের অধীনে করতে হবে।

প্রসঙ্গত, নতুন আইনে বলা হয়েছে- কোনো এনজিও বা ব্যক্তি এই আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে এবং সংবিধান ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিদ্বেষমূলক বা অশালীন মন্তব্য করলে বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। আইন অমান্য করলে যে কোনো সময় নিবন্ধন বাতিল বা স্থগিত করা যাবে।

এই আইনে সম্মতি না দিতে বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতির কাছে আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নও আইনটির বিরোধিতা করছে। তবে রাষ্ট্রপতি গত ১৩ অক্টোবর বিলটিতে স্বাক্ষর করেন।
১৯ অক্টোবর, ২০১৬/এমটিনিউজ২৪/সৈকত/এমএস

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে