এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
নিহত হাফিজুর রহমান (৫৫) স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী ছিলেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইফতারের পর সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলার হাসাদাহ বাজারে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকার কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে মারা যান হাফিজুর রহমান।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন হাফিজুরের ছোট ভাই ও বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান। তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। জামায়াতের আরও তিন কর্মী আহত হয়ে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
অন্যদিকে বিএনপির পক্ষের আহতদের মধ্যে রয়েছেন- বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য অব্যাহতি পাওয়া নেতা মেহেদী হাসান ও তার বাবা জসীম উদ্দিন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে ইফতারের পর বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। প্রায় ৪০–৪৫ মিনিট পর উভয়পক্ষের আরও নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে জড়ো হলে নতুন করে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় জামায়াত নেতা মফিজুর রহমানের ওপর হামলা হলে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। অবস্থার অবনতি হলে হাফিজুর ও মফিজুরকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে ঢাকায় নেওয়া হয়।
জীবননগর থানার ওসি সোলাইমান শেখ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।