এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : সমুদ্রে মাছ ধরা চালু হলেও মেহেরপুরে সামুদ্রিক মাছের দামে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। বরং বৈরী আবহাওয়ার কারণে দেশি মাছের আমদানি কমে গেছে। একই সঙ্গে সাদা মাছের সরবরাহও আগের তুলনায় কমেছে। ফলে বাজারে মাছের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী।
দৈনিক প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি টাকার বেচাকেনা হওয়া মেহেরপুরের বড়বাজার সংলগ্ন মাছের আড়ত বাজারে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। ছোট ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। এছাড়া বাগদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০০ টাকায়।
দেশি মাছের মধ্যে কৈ, জিওল, টাকি, তারাবাইন প্রজাতির মাছ ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি ছোট চিংড়ি, চেলা ও ময়া জাতের মাছ ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে সাদা মাছ যেমন রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙ্গাস ও সিলভার কার্প কেজিভেদে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট সাইজের এসব মাছ ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত ১০ দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি মাছের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। দেশি মাছের ক্ষেত্রে দাম আরও ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে।
বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম বলেন, মাছের বাজার স্বাভাবিক হতে আরও কিছু সময় লাগবে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বাড়লে মাছ ধরা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে আমদানি কমে গিয়ে দাম বেড়ে যায়।
এদিকে বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।