আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গোটা দেশের সঙ্গে পা'ল্লা দিয়ে বাংলাতেও ব্যা'প'ক হা'রে ছ'ড়াচ্ছে করোনা সং'ক্রমণ। প্রতিদিন গড়ে আ'ক্রা'ন্ত হ'চ্ছেন প্রায় ৩ হাজার মানুষ। মৃ'ত্যুর ঘট'নাও ঘ'টছে সমা'নতালে। এই প'রিস্থি'তিতে রাজ্যে নতুন আ'ত'ঙ্ক 'স্ক্রা'ব টা'ইফাস'। ঝো'পঝা'ড়ে জ'ন্মানো এক ধর'নের মা'কড়ের কা'ম'ড় থেকে হয় স্ক্রা'ব টাই'ফাস। ইতোমধ্যে মুর্শিদাবাদে গত ৪৮ ঘণ্টায় আ'ক্রা'ন্ত হয়েছেন ৭ জন। তাদের মধ্যে ৫ জন শিশু। কয়েকদিন আগে মুর্শিদাবাদেই ২ জন স্ক্রা'ব টা'ইফা'সে আ'ক্রা'ন্ত হয়েছিলেন। প্রত্যেকেরই চিকিৎসা চলছে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে।
এবারই অবশ্য প্রথম নয়, গত বছরও মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জা'য়গায় থা'বা ব'সিয়েছিল স্ক্রা'ব টাইফাস। মৃ'ত্যুও হয়েছিল ২ জনের। এবার আবার করোনার সং'ক্রম'ণের মধ্যে হা'না দিল সেই রোগ।
চিকিৎসকদের মতে, জং'লা জা'য়গায় জ'ন্মানো এক ধ'রনের বিশেষ মা'কড়ের কা'মড় থেকে স্ক্রা'ব টাই'ফাসের জী'বা'ণু ঢো'কে শরী'রে। জী'বাণু ঢো'কার পরপরই আ'ক্রা'ন্তের জ্ব'র আসে। সেই জ্ব'রের তাপমাত্রা কখনও সখনও ১০৩ ছা'ড়িয়ে যায়। প্রথম সপ্তাহ কেবল জ্ব'র, ব'মি ও শরী'রে ব্য'থা নিয়ে কা'টে। চো'খের পি'ছনের অংশেও হতে থাকে য'ন্ত্রণা। কিন্তু জ'টিল আ'কার ধা'রন করে দ্বিতীয় সপ্তাহে। শরী'রে দেখা দেয় একা'ধিক জ'টি'লতা। একে একে বিভি'ন্ন অ'ঙ্গ বি'কল হতে থাকে। চিকিৎসকরা বলছেন, শুরুতে যদি চিকিৎসা না হয়, তাহলে আ'ক্রা'ন্তের মৃ'ত্যু অ'নিবা'র্য।'
জ্ব'র, গা'য়ে ব্য'থা, শরী'রে কোনও অংশে ছেঁ'কার মতো দা'গ, ক্লা'ন্তি ভা'ব, ঠোঁ'ট লা'ল হয়ে যাওয়া, পা ফু'লে যাওয়ার মতো একাধিক উ'পস'র্গও দেখা দিতে থাকে এই রোগে। প'রিস্থি'তি এমনও প'র্যায়ে যেতে পারে যে, রো'গী কো'মায় চলে যেতে পারেন।
এক্ষেত্রে বি'শেষ'জ্ঞ'রা বলছেন, জ্ব'র পাঁচ দিনের বেশি স্থা'য়ী হলেই টা'ইফয়েড ও ডে'ঙ্গির পরীক্ষার পাশাপাশি স্ক্রা'ব টাই'ফাসের পরীক্ষা করাতে হবে। যদিও করোনা প'রিস্থি'তিতে জ্ব'র হলে তা স্ক্রা'ব টা'ইফাস নাও হতে পারে। স্ক্রা'ব টাই'ফাসের কারণে হও'য়া জ্ব'র আগে থেকে ঠে'কানো সম্ভ'ব না হলেও এই রো'গের কিন্তু চিকি'ৎসা রয়েছে। ঠি'কঠা'ক চি'কিৎ'সা হলে রো'গী সম্পূ'র্ণ সু'স্থ হয়ে যান। সেইসঙ্গেই চিকি'ৎসকরা জানাচ্ছেন, অ্যা'কিউট এন'সেফালোপ্যা'থি সি'নড্রো'ম থাকলেই স্ক্রা'ব টাই'ফাসের প'রীক্ষা করতে হবে।-এই সময়