আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার করা যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। কেসি-১৩৫ মডেলের রিফুয়েলিং বিমানটি বিধ্বস্তের পর এ নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকের আকাশে এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বর্তমানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে। এই আকাশসীমা ‘বন্ধুসুলভ আকাশসীমা’। এরপরও কীভাবে তা ঘটল এ নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, বিমানটি বিধ্বস্তে শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের গুলিবর্ষণের কোনো ঘটনার সংশ্লিষ্টতা ছিল না। ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন সামরিক রিফুয়েলিং বিমান যুদ্ধ অভিযানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমানটি ঠিক কী কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। সম্ভাব্য কারণ হিসেবে আকাশে দুটি বিমানের সংঘর্ষের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
মার্কিন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জিম হাইমস বিবিসির নিউজনাইট অনুষ্ঠানে বলেন, এই ঘটনা কেন ঘটেছে তার কারণ নির্ধারণ এতো দ্রুত করা যাবে না। বিমানে থাকা ক্রুরা নিরাপদ আছেন। সংঘাতের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে। সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীতেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং এখানে সম্ভবত তেমনটাই ঘটেছে। আমরা বিমানের ক্রুদের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করি। তবে একটি দেশ যখন যুদ্ধে জড়ায়, তখন এ ধরনের মূল্য দিতে হয়।
মার্কিন বিমানবাহিনীর এয়ার মোবিলিটি কমান্ডের বহরে প্রায় ৪০০টি রিফুয়েলিং ট্যাংকার বিমান রয়েছে। রিফুয়েলিং ট্যাংকার বিমানগুলো যুদ্ধের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এগুলো যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানকে আকাশে থেকেই জ্বালানি সরবরাহ করে, যাতে তারা দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে পারে।