আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকে ঘিরে গোটা রাজধানীতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। শহরজুড়ে প্রায় ২৫ হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লির সীমান্ত, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। একই সঙ্গে ৪৫টি মেট্রো স্টেশনে প্রবেশ ও বেরোনোর পথ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত থেকেই নিরাপত্তার ব্যাপক প্রস্তুতির ছবি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শনিবার দিল্লিতে যে পরিস্থিতি আর পাঁচটা সাধারণ ছুটির দিনের মতো হবে না, তার ইঙ্গিত মিলছিল আগেই। যন্তর মন্তরের চারপাশে বসানো হয়েছে ব্যারিকেড। বাতিল করা হয়েছে শতাধিক ট্রেন। এ ছাড়া মধ্য দিল্লির কিছু এলাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা।
যদিও ককরোচদের যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে অনুমতি না নেওয়া, অতীতের আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা এবং বড় জমায়েতের কারণে নিরাপত্তা ও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কার কথা জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, অনুমতি না মিললেও সিজেপির প্রস্তাবিত বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা সহজে থামার সম্ভাবনা নেই।