এক্সক্লুসিভ ডেস্ক: চাকরির পাশাপাশি কি ব্যবসা করা যায় তাই ভাবছেন? এমনটি যদি হয়ে থাকে তাহলে আপনি একেবারে ঠিক পোস্টটিই পড়া শুরু করেছেন। হ্যাঁ এই পোস্টে আমি বাড়তি আয়ের পনেরোটি অভাবনীয় আইডিয়া দেব যা থেকে আপনিও চাইলে আপনার চাকরির পাশাপাশি আয় বাড়াতে পারেন।
আইডিয়াগুলো অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক তাই আপনি যে ঘরানার মানুষই হোন না কেন, কোন না কোন কাজ আপনার পছন্দ হবেই।
তাহলে চলুন আর দেরী না করে জেনে নেওয়া যাক ৫টি অভাবনীয় আয়ের উপায়:
১. ফ্রিল্যান্সিং : ফ্রিল্যান্সিং বলতে আমাদের দেশে আউটসোসিং কেই ফ্রিল্যান্সিং বলে। একটু ভেঙে বলতে গেলে কোন এক ব্যক্তি তার প্রয়োজনীয় কাজসমূহ আপনাকে দিয়ে করাবে এবং তার মাধ্যম হিসাবে সে অনলাইনে আপনার সাথে যোগাযোগ থেকে শুরু করে পেমেন্টও এই অনলাইনের মাধ্যমেই করবেন।
আমাদের দেশে ডলার আয় করার পেছনে ফ্রিল্যান্সিং এর বড় একটা অবদান রয়েছে। তাই আপনি চাইলেই আপনার চাকুরীর পাশাপাশি বাড়তি আয়ের মাধ্যম হিসাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন।
ফ্রিল্যান্সিং এর হাজারো স্কিলস এর মধ্যে থেকে যেকোনো একটিতে দক্ষ হয়ে আপনিও ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে দিতে পারেন। রাইটিং, ডিজাইনিং, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স কাজগুলো আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়, তাই এগুলোর যেকোনো একটি ট্রাই করে দেখতে পারেন।
২. ব্লগিং : ব্লগিং মানে এককথায় যেটি বোঝায় সেটি হল লেখালিখি।ভার্চুয়াল জগতে এমন অনেক সাইট আছে যেখানে আপনি লেখালিখির সাহায্যে খুব সহজেই ঘরে বসেই অল্প সময়ে আয় করতে পারবেন।
আমার দেখা এমন অনেকেই আছে যারা চাকুরি অথবা পড়াশুনার পাশাপাশি ব্লগিং করে আয় করে থাকে। তাছাড়া এই ব্লগিং এর জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারন না থাকায় আপনি যেকোন সময় তা করতে পারেন।
ব্লগিং আপনার চাকরির পাশাপাশি এমন একটি আয়ের মাধ্যম হতে পারে যা একবার দাঁড়িয়ে গেলে আপনার আর কোন কিছু নাও করা লাগতে পারে। এটি এজন্য যে ব্লগিং থেকে অনেক আয় করা যায়, কিন্তু একটি ব্লগকে ভালো একটি অবস্থানে নিতে কয়েক বছর সময় লেগে যায়। সেই সময় টুকু যদি আপনি ধৈর্য সহকারে দিতে পারেন তাহলে দেখতে পারবেন যে আপনি অনেক আয় করতে পারছেন।
৩. এফিলিয়েট মার্কেটিং : অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমান সময়ের অন্যতম একটি জনপ্রিয় পেশা এবং আপনি চাইলে অন্য যে কোন চাকরির পাশাপাশি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারেন।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্লগিং এর সাথে সাথেই করা যায় আবার আপনি চাইলে ব্লগিং ছাড়াই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বিশাল ক্ষেত্র রয়েছে কারণ অনলাইনে প্রায় প্রত্যেকটি কম্পানি তাদের প্রোডাক্টের জন্য অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু রাখে। আর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো যে এখানে আপনি ফ্রি সম্পূর্ণ কাজ শুরু করতে পারবেন কারণ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হতে কোন টাকা খরচ হয় না।
৪. ইউটিউবিং : আপনি চাইলে ইউটিউবিং শুরু করেও আপনার চাকুরীর পাশাপাশি আয় করতে পারেন। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয় যে অনেকেই ইউটিউব চ্যানেল খুলে তা থেকে ব্যাপক আয় করছে।
ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করতে আপনার শুধু দরকার ভালো ভিডিও তৈরি করা। একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে শুরু করে দিন ইউটিউবে ভিডিও পাবলিশ করা এবং আয়ের পথে আরো একধাপ এগিয়ে যান।
৫. ফেইসবুক : আপনি চাইলে ফেইসবুক কে একটি money-making প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। ফেসবুকে আপনি শুধু ফ্রেন্ড এর সাথে আপনার তথ্য আদান-প্রদান না করে তা থেকে বিভিন্ন ভাবে আয় শুরু করতে পারেন।
তো সেটা কিভাবে করা যেতে পারে? এটা করা যেতে পারে ফেসবুকে আপনার একটি অনলাইন শপ খোলার মাধ্যমে। আপনি আপনার অনলাইন শপের জন্য একটি ফেসবুক পেইজ ওপেন করুন এবং সেখানে আপনার বিভিন্ন প্রোডাক্ট শেয়ার করতে থাকুন। আপনার কানেকশনস যতই বাড়তে থাকবে ততই দেখবেন যে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রির সংখ্যা বেড়ে গেছে। এছাড়াও আপনি ফেসবুকে গ্রুপ তৈরি করতে পারেন এবং পরবর্তীতে ওই গ্রুপটিকে বিভিন্নভাবে মনিটাইজ করতে পারেন।