এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : বিয়ে যখন করতেই হবে, তখন দেরি করে লাভ কী! তবে অতিরিক্ত দ্রুততার সঙ্গে ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না। বরং হবু স্ত্রীর মধ্যে এই কয়েকটি গুণ খোঁজার চেষ্টা করুন।
‘বিয়ে’ করাটা অপরিহার্য। আপনার বিয়ের বয়স হল কিনা, নিজের বাড়ি ছেড়ে দিন, দূর সম্পর্কের আত্মীয়, পাশের বাড়ির কাকিমা- সবাই এসে জ্ঞান দেওয়া শুরু করে দেবেন। পাড়ার নান্টু কাকু, যিনি ছোটবেলায় আপনার খেলার বল ছুঁড়ে ফেলে দিতেন, তাঁর মনও আপনার বিয়ের জন্য উতলে উঠবে।
আর এই সমস্ত চাপের কাছে আপনাকে একদিন না একদিন নতি শিকার করতেই হবে। তবে বিয়ে বললেই তো আর হয়ে গেল না। একজন যোগ্য পাত্রীর সন্ধান করা জরুরি। আর সুযোগ্য পাত্রী কিন্তু খাঁটি সোনার চেয়েও দামি।
এক্ষেত্রে পাত্রী খোঁজার সময় চোখ-কান খোলা রাখাটা সবার আগে জরুরি। আপনি এই মহিলার সঙ্গে সারা জীবন কাটাবেন। তাই তাঁর ভালো-মন্দ বিচার করা আপনার কর্তব্য। নইলে গোটা জীবনে কষ্টেই কাটবে।
তাই আগামীদিনের সমস্যা থেকে বাঁচতে আজই সতর্ক হন। আপনাকে জানতে হবে যে বিবাহযোগ্য মহিলাদের মধ্যে কোন গুণ থাকলে সংসার সুখী হয়। এই গুণগুলি খুঁজে নিতে পারলেই আপনার আজীবনের ভালো থাকা আর আটকায় কে!
১. বুদ্ধিমতি হওয়া চাই: মহিলাদের উপরই থাকবে সংসারের রাশ। তাই তাঁদের বুদ্ধিমতি হওয়া খুবই প্রয়োজনীয়। তিনি বুদ্ধিমতি হলেই দেখবেন অনায়াসে সংসারের গড়ি এগিয়ে যাচ্ছে। সংসার ছাড়াও জীবনে চলার পথে যেখানে যেখানে আপনি আটকে যাবেন, সেখানেই তিনি আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন। তাই হবু স্ত্রীর বুদ্ধিমত্তার দিকটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।
২. সবার সঙ্গে চলতে পারেন: সবার সঙ্গে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা সকলের থাকে না। আর যাঁরা সকলের সঙ্গে মিশে যেতে পারেন, তাঁরা অন্যের মনের ভিতর নিজের জন্য পাকা জায়গা তৈরি করে নেন।
মহিলারা বিয়ের পর সাধারণত নিজের বাড়ির ছেড়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে ওঠেন। এখানকার সদস্যদের সঙ্গে তিনি যত তাড়াতাড়ি মিশে যেতে পারেন ততই মঙ্গল। নইলে সমস্যার শেষ থাকবে না। পরিবার ও স্ত্রী- দুই তরফেই নালিশ শুনতে হবে।
৩. স্পষ্ট কথা মৃদু স্বরে বলেন: এখন স্পষ্ট কথা বলা মানুষের খুবই অভাব। এই কারণে ভুলটা চাপা পড়ে যায়। তা আর শোধরানোর সুযোগ পাওয়া যায় না। তবে আপনার স্ত্রী যদি মুখের উপর সোজা ভাষায় ভুল ধরিয়ে দিতে পারেন, তাহলে নিজেকে শুধরে ফেলতে পারবেন। তাই এমন গুণবতী মহিলার খোঁজ করুন। দেখবেন মানুষ হিসাবে আপনি আরও পারফেক্ট হয়ে উঠেছেন।
৪. অন্যদের নিয়ে মাথা ব্যথা নেই: মহিলাদের মধ্যে অনেকেই একে অপরের বিষয়ে বেশি চিন্তিত। এনারা শুধু শুধু অন্যকে নিয়ে কথা বলেন। আর এই সমস্ত কিছুই চলে মানুষটির পিছনে। শুনে রাখুন, এমন মহিলা স্ত্রী হয়ে আসলে জীবনে দুঃখ আছে। বরং হবু স্ত্রীর মধ্যে যাতে এই গুণটি না থাকে তা নিশ্চিত করুন। তবেই শান্তিতে জীবন কাটানো যাবে। সুখে শান্তিতে সংসার করতে পারবেন।
৫. ‘কেয়ারিং’: মহিলাদের মধ্যে কেয়ারিং বা যত্নে রাখার গুণ থাকা দরকার। তাঁর মধ্যে এই গুণ থাকলেই তিনি সহনশীল হবেন। এমনকী নিজের পাশাপাশি তিনি আপনার খেয়ালও রাখতে পারবেন। তাই হবু স্ত্রীর মধ্যে এই গুণ রয়েছে কিনা একবার যাচাই করে নিন। নইলে পরে পস্তাতে হতে পারে। তখন আবার আমরা জানায়নি বলে দোষ দেবন না।