দাঊদ (আ.) ছিলেন ৮টি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী

১২:১৮:৩৭ মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯

সর্বশেষ সংবাদ :

     • ভোট শেষে ফলাফলে আবারও এগিয়ে জাস্টিন ট্রুডোর দল     • আমি পদত্যাগ করব না: মেনন     • ভোলার এসপির ফেসবুক আইডি হ্যাকড, থানায় জিডি     • ব্যালন ডি অরের সেরা ৩০ জনের তালিকাতেই নেই নেইমার     • খাসির মাংস বলে শেয়ালের মাংস বিক্রি, আরজত আলীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড     • খারাপ লোকদের আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না: পুলিশ সুপার      • হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুরো কুরআন মুখস্ত করে অবাক করে দিলেন অসুস্থ তরুণ আব্দুল্লাহ     • মাঠে চলছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, প্যাভিলিয়নে ঘুমে বিভোর শাস্ত্রী!     • মাটির স্পর্শ ছাড়াই সম্পূর্ণ শূন্যে ভাসা এই মসজিদ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা     • অপরাধ দমনে মালয়েশিয়াকে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫, ১০:১৮:৪৯

দাঊদ (আ.) ছিলেন ৮টি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী

দাঊদ (আ.) ছিলেন ৮টি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী

ইসলাম ডেস্ক: বিপুল শক্তি ও রাষ্ট্রক্ষমতার অধিকারী নবী ছিলেন মাত্র দু’জন। তাঁরা হলেন যথাক্রমে পিতা ও পুত্র দাঊদ ও সুলায়মান (আ.)। বর্তমান ফিলিস্তীন সহ সমগ্র ইরাক ও শাম (সিরিয়া) এলাকায় তাঁদের রাজত্ব ছিল। পৃথিবীর অতুলনীয় ক্ষমতার অধিকারী হয়েও তাঁরা ছিলেন সর্বদা আল্লাহর প্রতি অনুগত ও সদা কৃতজ্ঞ। আল্লাহ প্রত্যেক নবীকে স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য দান করেছেন। সেমতে দাঊদ (আ.)-কে প্রদত্ত বৈশিষ্ট্য সমূহ নিম্নে বর্ণনা করা হলো।-

১. আল্লাহ দাঊদ (আঃ)-কে আধ্যাত্মিক ও দৈহিক শক্তিতে বলিয়ান করে সৃষ্টি করেছিলেন। যেমন আল্লাহ বলেন,

 وَاذْكُرْ عَبْدَنَا دَاوُودَ ذَا الْأَيْدِ إِنَّهُ أَوَّابٌ-(ص ১৭)- ‘স্মরণ কর, আমার বান্দা দাঊদকে। সে ছিল শক্তিশালী এবং আমার প্রতি সদা প্রত্যাবর্তনশীল’ (ছোয়াদ ৩৮/১৭)। আয়াতের প্রথমাংশে তাঁর দৈহিক ও দুনিয়াবী শাসন শক্তির কথা বলা হয়েছে এবং শেষাংশে তাঁর আধ্যাত্মিক শক্তির কথা বলা হয়েছে। এজন্য যে, বিরাট ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী বাদশাহ হওয়া সত্ত্বেও তিনি সর্বদা আল্লাহর প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। সকল কাজে তাঁর দিকেই ফিরে যেতেন।

বুখারী ও মুসলিমের এক হাদীছে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, আল্লাহ তা‘আলার নিকটে সর্বাধিক পসন্দনীয় ছালাত হ’ল দাঊদ (আঃ)-এর ছালাত এবং সর্বাধিক পসন্দনীয় ছিয়াম ছিল দাঊদ (আঃ)-এর ছিয়াম। তিনি অর্ধরাত্রি পর্যন্ত ঘুমাতেন। অতঃপর এক তৃতীয়াংশ ছালাতে কাটাতেন এবং শেষ ষষ্টাংশে নিদ্রা যেতেন। তিনি একদিন অন্তর একদিন ছিয়াম রাখতেন। শত্রুর মোকাবিলায় তিনি কখনো পশ্চাদপসরণ করতেন না’।[6]

২. পাহাড় ও পক্ষীকুল তাঁর অনুগত ছিল। যেমন আল্লাহ বলেন,إِنَّا سَخَّرْنَا الْجِبَالَ مَعَهُ يُسَبِّحْنَ بِالْعَشِيِّ وَالْإِشْرَاقِ- وَالطَّيْرَ مَحْشُوْرَةً، كُلٌّ لَّهُ أَوَّابٌ-(ص ১৮-১৯)-

‘আমি পর্বতমালাকে তার অনুগত করে দিয়েছিলাম। তারা সকাল-সন্ধ্যায় তার সাথে পবিত্রতা বর্ণনা করত’। ‘আর পক্ষীকুলকেও, যারা তার কাছে সমবেত হ’ত। সবাই ছিল তার প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল’ (ছোয়াদ ৩৮/১৮-১৯)। একই মর্মে বক্তব্য এসেছে সূরা সাবা ১০ আয়াতে। অন্যদিকে আল্লাহ দাঊদ-পুত্র সুলায়মানের অধীনস্ত করে দিয়েছিলেন বায়ুকে ও জিনকে। পাহাড় ও পক্ষীকুল হযরত দাঊদ (আঃ)-এর কিভাবে আনুগত্য করত- সে বিষয়ে কোন বক্তব্য কুরআনে আসেনি। তাফসীরবিদগণ নানাবিধ সম্ভাবনা ব্যক্ত করেছেন। আমি সেগুলিকে এড়িয়ে গেলাম। কেননা ইবনু আববাস (রাঃ) বলেছেন, أَبْهِمُوا مَا أَبْهَمَهُ اللهُ ‘আল্লাহ যে বিষয়কে অস্পষ্ট রেখেছেন, তোমরাও তাকে অস্পষ্ট থাকতে দাও’।

৩, ৪ ও ৫. তাঁকে দেওয়া হয়েছিল সুদৃঢ় সাম্রাজ্য, গভীর প্রজ্ঞা ও অনন্য বাগ্মিতা। যেমন আল্লাহ বলেন,

وَشَدَدْنَا مُلْكَهُ وَآتَيْنَاهُ الْحِكْمَةَ وَفَصْلَ الْخِطَابِ-(ص ২০)- ‘আমি তার সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় করেছিলাম এবং তাকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও ফায়ছালাকারী বাগ্মিতা’ (ছোয়াদ ৩৮/২০)। উল্লেখ্য, আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ) ও ইমাম শাবী বলেন যে, ‘তিনিই সর্বপ্রথম বক্তৃতায় হাম্দ ও ছালাতের পর أما بعد (‘অতঃপর’) শব্দ যুক্ত করেন’। পূর্বেই আমরা বলেছি যে, তাঁর এই সাম্রাজ্য ছিল শাম ও ইরাক ব্যাপী। যা আধুনিক সিরিয়া, লেবানন, জর্ডান, ফিলিস্তীন ও ইরাককে শামিল করে। আল্লাহ বলেন,

يَا دَاوُودُ إِنَّا جَعَلْنَاكَ خَلِيْفَةً فِي الْأَرْضِ فَاحْكُمْ بَيْنَ النَّاسِ بِالْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ الْهَوَى فَيُضِلَّكَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ إِنَّ الَّذِيْنَ يَضِلُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيْدٌ بِمَا نَسُوْا يَوْمَ الْحِسَابِ-(ص ২৬)-

‘হে দাঊদ! আমি তোমাকে পৃথিবীতে খলীফা করেছি। অতএব তুমি মানুষের মাঝে ন্যায়সঙ্গত ফায়ছালা কর এবং খেয়াল-খুশীর অনুসরণ কর না। তাহ’লে তা তোমাকে আল্লাহর পথ হ’তে বিচ্যুত করবে। নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর পথ হ’তে বিচ্যুত হয়, তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি এ কারণে যে, তারা হিসাব দিবসকে ভুলে যায়’ (ছোয়াদ ৩৮/২৬)।

৬. লোহাকে আল্লাহ তাঁর জন্য নরম করে দিয়েছিলেন। যেমন আল্লাহ বলেন,

وَلَقَدْ آتَيْنَا دَاوُودَ مِنَّا فَضْلاً يَا جِبَالُ أَوِّبِيْ مَعَهُ وَالطَّيْرَ وَأَلَنَّا لَهُ الْحَدِيْدَ-  أَنِ  اعْمَلْ سَابِغَاتٍ وَقَدِّرْ فِي السَّرْدِ وَاعْمَلُوْا صَالِحاً إِنِّيْ بِمَا تَعْمَلُوْنَ بَصِيْرٌ- (سبا ১০-১১)-

‘…এবং আমি তার জন্য লোহাকে নরম করে দিয়েছিলাম’ ‘এবং তাকে বলেছিলাম প্রশস্ত বর্ম তৈরী কর ও কড়াসমূহ যথাযথভাবে সংযুক্ত কর এবং তোমরা সৎকর্ম সম্পাদন কর। তোমরা যা কিছু কর, তা আমি দেখে থাকি’ (সাবা ৩৪/১০-১১)।

উল্লেখ্য যে, হযরত দাঊদ (আঃ) একজন দক্ষ কর্মকার ছিলেন। বিশেষ করে শত্রুর মোকাবিলার জন্য উন্নত মানের বর্ম নির্মাণে তিনি ছিলেন একজন কুশলী কারিগর। যা বিক্রি করে তিনি সংসার যাত্রা নির্বাহ করতেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে নিজের ভরণপোষণের জন্য কিছুই নিতেন না। যদিও সেটা  নেওয়া কোন দোষের ছিল না।  এখানে লোহাকে বাস্তবে মোমের মত নরম করার প্রকাশ্য অর্থ নিলে সেটা হবে তাঁর জন্য মু‘জেযা স্বরূপ, যা মোটেই অসম্ভব নয়। অবশ্য নরম করে দেওয়ার অর্থ লোহাকে সহজে ইচ্ছামত রূপ দেওয়ার ও উন্নতমানের নির্মাণ কৌশল শিক্ষাদানও হ’তে পারে। যেমন অন্যত্র আল্লাহ বলেন,

وَعَلَّمْنَاهُ صَنْعَةَ لَبُوْسٍ لَّكُمْ لِتُحْصِنَكُمْ مِّنْ بَأْسِكُمْ فَهَلْ أَنْتُمْ شَاكِرُوْنَ-(الأنبياء ৮০)-

‘আর আমি তাকে তোমাদের জন্য বর্ম নির্মাণ কৌশল শিক্ষা দিয়েছিলাম, যাতে তা যুদ্ধের সময় তোমাদেরকে রক্ষা করে। অতএব তোমরা কি কৃতজ্ঞ হবে? (আম্বিয়া ২১/৮০)।

ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, ভারতবর্ষের বাদশাহ আওরঙ্গযেব (১৬৫৮-১৭০৭ খৃ:) নিজ হাতে টুপী সেলাই করে তা বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কিছুই নিতেন না। বস্ত্ততঃ নবী-রাসূলগণই ছিলেন সকল উন্নত চরিত্রের পথিকৃৎ।

৭. আল্লাহ পাক দাঊদকে  নবুঅত দান করেন এবং তাকে এলাহী কিতাব ‘যবূর’ দান করে কিতাবধারী রাসূলের মর্যাদায় অভিষিক্ত করেন। যেমন তিনি বলেন, -وَآتَيْنَا دَاوُودَ زَبُوْراً ‘আমি দাঊদকে ‘যবূর’ প্রদান করেছিলাম’ (নিসা ৪/১৬৩)। হযরত দাঊদকে যে আল্লাহ অতুলনীয় সাম্রাজ্য দান করছিলেন, সেটা যেন যবূরের ভবিষ্যদ্বাণীরই বাস্তব রূপ। কেননা যবূরে আল্লাহ তাঁর সৎকর্মশীল বান্দাদেরকে পৃথিবীর অধিকারী হওয়ার সুসংবাদ দিয়েছেন। যেমন আল্লাহ বলেন,

وَلَقَدْ كَتَبْنَا فِي الزَّبُوْرِ مِنْ بَعْدِ الذِّكْرِ أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُوْنَ-(الأنبياء ১০৫)-

‘আমি বিভিন্ন উপদেশের পর যবূরে একথা লিখে দিয়েছি যে, আমার সৎকর্মশীল বান্দাগণ অবশেষে পৃথিবীর উত্তরাধিকারী হবে’ (আম্বিয়া ২১/১০৫)।

৮. তাঁকে অপূর্ব সুমধুর কণ্ঠস্বর দান করা হয়েছিল। যখন তিনি যবূর তেলাওয়াত করতেন, তখন কেবল মানুষ নয়, পাহাড় ও পক্ষীকুল পর্যন্ত তা একমনে শুনত। এ দিকে ইঙ্গিত করেই আল্লাহ বলেন,

وَلَقَدْ آتَيْنَا دَاوُودَ مِنَّا فَضْلاً يَا جِبَالُ أَوِّبِيْ مَعَهُ وَالطَّيْرَ وَأَلَنَّا لَهُ الْحَدِيْدَ- (سبا ১০)-  

‘আমি দাঊদের প্রতি আমাদের পক্ষ হ’তে অনুগ্রহ প্রদান করেছিলাম এই মর্মে আদেশ দান করে যে, হে পর্বতমালা! তোমরা দাঊদের সাথে বারবার তাসবীহ সমূহ আবৃত্তি কর এবং (একই নির্দেশ দিয়েছিলাম আমরা) পক্ষীকুলকেও …’ (সাবা ৩৪/১০)।
১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫/এমটিনিউজ২৪/রাসেল/এমআর



খেলাধুলার সকল খবর »

ইসলাম


৪টি গুণ যার মধ্যে থাকবে সে কখনো ক্ষতিগ্রস্থ হবে না

৪টি-গুণ-যার-মধ্যে-থাকবে-সে-কখনো-ক্ষতিগ্রস্থ-হবে-না

জেনে নিন, পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে জিনদের সম্পর্কে ১০টি তথ্য

জেনে-নিন-পবিত্র-কোরআন-ও-হাদিসের-আলোকে-জিনদের-সম্পর্কে-১০টি-তথ্য

যে খাবারগুলো খুব পছন্দ করতেন মহানবী (সা.)

যে-খাবারগুলো-খুব-পছন্দ-করতেন-মহানবী-সা ইসলাম সকল খবর »

এক্সক্লুসিভ নিউজ


১২ বছরে ৩৫ কেজি কয়েন জমিয়ে মাকে ফ্রিজ কিনে দিয়ে স্বপ্ন পূরণ করলেন ছেলে

১২-বছরে-৩৫-কেজি-কয়েন-জমিয়ে-মাকে-ফ্রিজ-কিনে-দিয়ে-স্বপ্ন-পূরণ-করলেন-ছেলে

হঠাৎ মাটির নিচ থেকে আওয়াজ '‌আমাকে কবব থেকে বের করো, এখানে ভীষণ অন্ধকার'

হঠাৎ-মাটির-নিচ-থেকে-আওয়াজ--‌আমাকে-কবব-থেকে-বের-করো-এখানে-ভীষণ-অন্ধকার-

সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম পানিতে লেবুর রস খাওয়ার অসাধারণ ৬ উপকার!

সকালে-ঘুম-থেকে-উঠে-গরম-পানিতে-লেবুর-রস-খাওয়ার-অসাধারণ-৬-উপকার- এক্সক্লুসিভ সকল খবর »

সর্বাধিক পঠিত


মুসলিম হয়ে কিভাবে মহানবী (সা.) এর সম্পর্কে খারাপ কথা লিখে অন্যকে ফাঁসায় : প্রধানমন্ত্রী

বার্সেলোনায় যাচ্ছেন বাংলাদেশের জামাল ভূঁইয়া!

অবশেষে ব্যাটিং ঝলক দেখিয়ে বরিশালকে বাঁচালেন আশরাফুল

ভোলায় পুলিশকে গু'লির অনুমতি কে দিয়েছে এটা তদন্ত করা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাঠকই লেখক


ভ'য়ংকর মাছটি দেখলেই হ'ত্যার নির্দেশ

ভ-য়ংকর-মাছটি-দেখলেই-হ-ত্যার-নির্দেশ

রাতে ঘরে ছেলে-পুত্রবধূর আয়েশের ঘুম, ৭৫ বছর বয়সী মায়ের জায়গা খোলা মাঠে!

রাতে-ঘরে-ছেলে-পুত্রবধূর-আয়েশের-ঘুম-৭৫-বছর-বয়সী-মায়ের-জায়গা-খোলা-মাঠে-

টাঙ্গাইলে বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নববধূকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করলেন জামাই!

টাঙ্গাইলে-বিয়ের-১১-দিনের-মাথায়-নববধূকে-তালাক-দিয়ে-শাশুড়িকে-বিয়ে-করলেন-জামাই- পাঠকই সকল খবর »

জেলার খবর


ঢাকা ফরিদপুর
গাজীপুর গোপালগঞ্জ
জামালপুর কিশোরগঞ্জ
মাদারীপুর মানিকগঞ্জ
মুন্সিগঞ্জ ময়মনসিংহ
নারায়ণগঞ্জ নরসিংদী
নেত্রকোনা রাজবাড়ী
শরীয়তপুর শেরপুর
টাঙ্গাইল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
কুমিল্লা চাঁদপুর
লক্ষ্মীপুর নোয়াখালী
ফেনী চট্টগ্রাম
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি
বান্দরবান কক্সবাজার
বরগুনা বরিশাল
ভোলা ঝালকাঠি
পটুয়াখালী পিরোজপুর
বাগেরহাট চুয়াডাঙ্গা
যশোর ঝিনাইদহ
খুলনা মেহেরপুর
নড়াইল নওগাঁ
নাটোর গাইবান্ধা
রংপুর সিলেট
মৌলভীবাজার হবিগঞ্জ
নীলফামারী দিনাজপুর
কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট
পঞ্চগড় ঠাকুরগাঁ
সুনামগঞ্জ কুষ্টিয়া
মাগুরা সাতক্ষীরা
বগুড়া জয়পুরহাট
চাঁপাই নবাবগঞ্জ পাবনা
রাজশাহী সিরাজগঞ্জ