এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : আরবি শাবান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী মার্চ মাসের ২০ কিংবা ২১ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে পারে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। রোজার শুরু থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রয়েছে। তবে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদে কতদিন ছুটি কাটাতে পারবেন তা নিয়ে কৌতুহল রয়েছে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম রোজা শুরু হয় বাংলাদেশে।
আরবি মাস চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। এ বছর যদি মার্চ মাসের ২০ তারিখ হিজরি শাবান মাসের, অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যায় তাহলে ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতর। আর যদি রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে আরো একদিন পর অর্থাৎ ২২ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে।
এ বছর বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি মোট পাঁচদিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ হিসাব করে সরকারিভাবে ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
২৭ রমজান শবে কদরের দিন সব সময় সরকারি ছুটি থাকে। এ বছর ১৭ মার্চ মঙ্গলবার শবে কদরের বন্ধ আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে।
পরদিন ১৮ মার্চ বুধবার সাধারণ কর্মদিবস। ১৯ মার্চ ২৯ রোজা থেকেই শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনের ঈদের সরকারি ছুটি। এই ছুটি শেষ হবে ২৩ মার্চ সোমবার।
এর পর ২৪ ও ২৫ মার্চ দুদিন অফিস আদালত খোলা থাকবে। তবে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ছুটি রয়েছে।
সেই হিসাবে সরকারি চাকরিজীবীরা ২৪ ও ২৫ মার্চ দুই দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ পেতে পারেন। আবার ১৮ মার্চ একদিনের বাড়তি ছুটি নিলে শবে কদর থেকেই এই ছুটি উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে সরকারি চাকরিজীবীদের।
সরকার ঘোষিত ছুটিতে বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানই বন্ধ থাকে, তবে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষই মূলত ছুটি নির্ধারণ করে থাকে। সূত্র : বিবিসি বাংলা