বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫২:৫৭

দেশের জ্বালানি তেল নিয়ে এবার এলো নতুন সুখবর

দেশের জ্বালানি তেল নিয়ে এবার এলো নতুন সুখবর

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা চাপে থাকলেও এর মধ্যেই আরও একটি জাহাজে করে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল দেশে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের একটি জাহাজ ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে দেশে পৌঁছায়। চুক্তি অনুযায়ী এই জ্বালানি সরবরাহ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক।

বিশ্ববাজারে অস্থিরতার কারণে সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও নতুন এই চালান পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, আমদানিকৃত ডিজেল পরিবহন ও শিল্পখাতে ব্যবহৃত হবে এবং জেট ফুয়েল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সরবরাহ করা হবে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহে বিলম্বের কারণে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি মাসে মোট ১৭টি জাহাজে তেল আসার কথা থাকলেও এর আগে আটটি এসেছে, আজ যুক্ত হলো আরও একটি।

বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী জাহাজটি এসেছে এবং বর্তমানে বড় ধরনের জ্বালানি সংকট নেই। পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সাধারণত সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি করা হয়। বছরে প্রায় ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়, যার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে। মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল দেশে এনে পরিশোধন করা হয়, আর বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত অবস্থায় ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

আগামী এপ্রিল মাসে সমুদ্রপথে ১৪টি জাহাজ ও পাইপলাইনের মাধ্যমে ৩টি চালানে মোট ৩ লাখ টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন এবং ৫০ হাজার টন ফার্নেস তেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল এবং পাইপলাইনে ২০ হাজার টন সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া মে মাসে ১৭টি জাহাজে সাড়ে তিন লাখ টনের বেশি জ্বালানি তেল আনার সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে