এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : এমন কোনো আলোচনা-সমালোচনা করা ঠিক হবে না, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করে—বলে সতর্ক করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অন্যতম চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি অতীতে জিয়াউর রহমানকে ও দেশের জন্য তার অবদানকে নানাভাবে খাটো করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ থেকেই প্রমাণিত, জিয়াউর রহমান দেশের মুক্তিযুদ্ধে একজন অনিবার্য চরিত্র।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীত নিয়ে সবসময় পরে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ। অতীতকে ভুলে যাওয়া যাবে না, আবার অতীত নিয়ে এত বেশি চর্চা হয়েছে, যা ভবিষ্যতকে বাধাগ্রস্ত করেছে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরবগাঁথা আছে তা নিয়ে আলোচনা হবে, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে আলোচনা-সমালোচনা ও গবেষণার নামে এমন কোনো কিছু করা ঠিক হবে না, যা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে খাটো করে।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ শহিদ জিয়ার লেখা ‘একটি জাতির মুক্তি’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। সেসময় মুক্তিযুদ্ধ মাত্র শেষ হয়েছে। তখন একজন মুক্তিযোদ্ধাও এ বইয়ের কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধিতা করেন নাই। এতেই প্রমাণ হয় শহীদ জিয়া দেশের মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র।
তিনি বলেন, আকাঙ্খা সীমাহীন হলেও, সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই মিলে দেশের জন্য কাজ করলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব।
এর আগে দুপুর ৩টায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াতের মাধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা শুরু হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা নেসারুল হক।
স্বাধীনতা দিবসের এই আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ।