বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:২০:৪১

জামায়াতের নেতারা বিনা জামানতে কোটি কোটি টাকা ঋণ পায় : রাশেদ খাঁন

জামায়াতের নেতারা বিনা জামানতে কোটি কোটি টাকা ঋণ পায় : রাশেদ খাঁন

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনের নামে বিনা জামানতে কোটি কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তার দাবি, দলটির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য স্ত্রীর নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এমন মন্তব্য করেন।

ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নির্বাচনের আগে জামায়াত এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার স্ত্রীর নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এটা একটা নমুনা মাত্র। জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয় বরং আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু বান্ধব বা দলের সাধারণ কর্মীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে।’

‘এজন্য তাদেরকে ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপি দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। আবার তাদের ক্ষমতা দেখেন, বিনা জামানতে তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়, কিন্তু আমি আপনি কি পাবো?’ যোগ করেন তিনি।

বিএনপির এ নেতার মতে, ‘বিএনপির যেসকল নেতারা ব্যবসায়িক ঋণ নিয়েছিল, তারা কি বিগত ১৬ বছর ব্যবসা করতে পেরেছে? অনেকে দেশে থাকতে পারেনি, ঘরে ঘুমাতে পারেনি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে, সুতরাং এসব মানুষকে ঋণখেলাপি সাংসদ বলে কটাক্ষ করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। বরং যারা এসব বলছে, তাদের কখনো এমন পরিস্থিতির শিকার হতে হয়নি। আর সংসদে বিরোধীদল যাদের ঋণখেলাপি বলছে, তারা মূলত ঋণগ্রস্ত।’

বিএনপির নেতার ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য ঋণ নিয়েছিল দাবি করে তিনি বলেন, ‘জামায়াত এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ জামায়াতের নেতাদেরও এমন ঋণ রয়েছে। আরপিও অনুযায়ী ঋণখেলাপি কারও এমপি পদে প্রার্থিতা করার সুযোগ ছিলো না। সুতরাং বিরোধীদলের এসব বক্তব্য সরকারকে ভিলিফাই করার জন্য একধরনের প্রপাগাণ্ডা ও মিথ্যাচার।’

ভবিষ্যতেও জামায়াতের নেতাকর্মীরা যেন এমন জুলুমের শিকার না হয় এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন রাশেদ খাঁন লিখেন, ‘মূলত তারা তো আওয়ামী জামানার বিরোধীদল নয়, আওয়ামী জামানোর মত বিরোধীদল হিসেবে জুলুমের শিকারও হতে হচ্ছে না। এজন্য এসব কথাবার্তা বলে কটাক্ষ করার সুযোগ পাচ্ছে।’

‘আওয়ামী জামানার বিরোধীদল হিসেবে জুলুমের শিকার হলে এভাবে সংসদের সহকর্মীদের অপদস্ত করে কথা বলতো না,’ বলে মনে করেন তিনি।

‘এদের সঙ্গে ভালো পলিটিক্স করে টিকে থাকা মুশকিল। এরা তার রাজনৈতিক প্রতিযোগীকে ভিলিফাই করার জন্য প্রয়োজন ন্যাংটা হয়ে মাঠে নামবে! সুতরাং ভদ্রভাবে তাদের মোকাবিলা করা মুশকিল!’ বলেও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে