মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৪৩:১৬

শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ শিক্ষামন্ত্রীর

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : শিক্ষার্থীদের নিয়ে মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে তিনি এ দুঃখ প্রকাশ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে কিছু বলিনি। তারপরও আমার বক্তব্যে কেউ আহত হয়ে থাকলে, সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

মন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে স্বাগত জানান।

বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার পরীক্ষা নেয়া এবং পরীক্ষার্থীদের 'ফার্মের মুরগি' বলায় মঙ্গলবার সকাল থেকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ঢাকা বোর্ডের সামনে, রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব, উত্তরা, ময়মনসিংহ বরিশাল, বগুড়া, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সড়ক অবরোধের কারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এক পর্যায়ে বিকেলে সংক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবন এলাকার সামনে অবস্থান নেন।
 
এদিন সংসদে এইচএসসি পরীক্ষা না পেছানোর ব্যাখ্যাও দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, পরীক্ষা পদ্ধতির সিস্টেম অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, ডিসি-ইউএনওরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন যে পরীক্ষা নেয়া যাবে কি না। তারা দুর্যোগ দেখলে পরীক্ষা নেয়া বন্ধও করতে পারেন। আমরা তাদের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করেছি। তাঁরা জানিয়েছেন ঠিকমতোই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদেরও মায়া আছে। সেজন্য আমরা সবসময় মনিটরিং করেছি।

তিনি আরও বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার জন্য সারাদেশে ৬৪ জেলায় ২৭০০ সেন্টার রয়েছে। সবগুলোতেই একসঙ্গে পরীক্ষা শুরু হয়। চট্টগ্রামে যখন বন্যা শুরু হলো তখন আমরা একে একে প্রথমে রাঙামাটি-বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এবং পরবর্তীতে পুরো চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করেছি। আমরা দেখছিলাম বৃষ্টি হচ্ছিল, আমরা মনিটরিং করছিলাম। আমরা সব জেলার এসপি, ৮টি বিভাগীয় কমিশনার, প্রতিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ইউএনও, সবার সঙ্গে কথা বলেছি। এমনকি আবহাওয়াবিদদের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি। আবহাওয়াবিদরা বলেছিলেন বৃষ্টি হবে না। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি কুমিল্লা সরকারি কলেজের মাঠ পানিতে ভরে গেছে। তখন সঙ্গে সঙ্গে আমি পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরের নির্দেশ দিই। 

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে