এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : দেশে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও রাষ্ট্রপতি পদে ভোটাভুটি হচ্ছে জাতীয় সংসদে। বিকাল ৫টায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরআগে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
প্রকাশ্য এ ভোটে বিএনপির মনোনয়ন না পাওয়া ও পরে দল থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা কাকে ভোট দেবেন— এ নিয়ে তৈরি হয়েছে কৌতূহল।
বিকাল ৪টা পর্যন্ত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এবং জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দিতে দেখা যায়নি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে অসুস্থতার কারণে দেশের বাইরে থাকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ভোট দিতে পারছেন না। নির্বাচনে জয়ী হতে প্রয়োজন ১৭৫ ভোট।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে দলীয় সংসদ সদস্য না হওয়ায় স্বতন্ত্র সদস্যরা দুই প্রার্থীর যেকোনো একজনকে ভোট দিতে পারবেন।
নির্বাচনে প্রথমে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), এরপর ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ভোট দেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করছেন নির্বাচনি কর্তা সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। সিইসিকে সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশন ২০ জন কর্মকর্তাকে সহায়ক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত যাচ্ছে। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা (এমপি) ভোট দিচ্ছেন।
এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের (জোটের) প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।