বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:৩৪:৩৭

এক বড় সুখবর মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য

এক বড় সুখবর মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদ করার সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। মূল কর ও ফি পরিশোধ করে এ সময়ের মধ্যে মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন, রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই শুধু মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র (যেমন : ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিট) হালনাগাদ করা যাবে। একইভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সও হালনাগাদের সুযোগ থাকছে।

গ্রাহকদের শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে মোটরযানের সব কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বিআরটিএ।

এর আগে এক বিজ্ঞপ্তিতে মোটরযান বিক্রয়ের পর মালিকানা পরিবর্তন না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল সংস্থাটি।

বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী কোনো মোটরযান বিক্রয়ের পর এর মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। তবে ইদানীং অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি সড়ক বা মহাসড়কে ব্যবহার করছেন। এর ফলে বিক্রেতাকে বিভিন্ন ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মালিকানা পরিবর্তন না করায় পুরনো মালিককেই ওই মোটরযানের জন্য নির্ধারিত অগ্রিম আয়কর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে বিক্রেতার অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে বিআরটিএ। বর্তমানে অনলাইনে (bsp.brta.gov.bd) আবেদন করার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ড-হেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্রেতা বা নতুন মালিক ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্যও বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সব মোটরযান মালিক ও ক্রেতাকে দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে বিআরটিএ। অন্যথায় নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

এদিকে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ কঠোরভাবে কার্যকর করার অংশ হিসেবে মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সে পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু করেছে বিআরটিএ।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। আইন অমান্য বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে অতিরিক্ত হিসেবে দোষসূচক পয়েন্টও কর্তন করা হচ্ছে।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে