সোমবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:০২:০১

বেতন-অবসর ভাতার জন্য শিক্ষকদের অফিসে-অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

বেতন-অবসর ভাতার জন্য শিক্ষকদের অফিসে-অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : বেতন কিংবা অবসর ভাতার জন্য শিক্ষকদের যেন অফিসে অফিসে ঘুরতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।

তারেক রহমান বলেন, ‘একজন শিক্ষককে শুধু তার বেতন কিংবা অবসর ভাতার জন্য কষ্ট করে অফিসে অফিসে ঘোরার প্রয়োজন নেই। যথানিয়মে, যথাসময়ে তার প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিতে হবে।’

এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একজন শিক্ষক কর্মরত কিংবা অবসরজীবনে যেভাবেই থাকুন না কেন, তার সম্মানিত পেশার কারণে আমৃত্য তিনি রাষ্ট্রের কাছে সম্মানীয়।

শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও বক্তব্যে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের শিক্ষক সমাজ, বিশেষ করে স্কুল-মাদ্রাসার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষকতা পেশাকে সুযোগ-সুবিধা ও সম্মানের দিক থেকে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে সরকার বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানোর ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসসহ বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ভবনে আমন্ত্রণ জানান। 

চলতি বছর থেকে এসব অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিতদের তালিকায় একটি নীতিমালার ভিত্তিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কমপক্ষে একজন করে শিক্ষককে বাধ্যতামূলকভাবে আমন্ত্রণ জানাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তিও জড়িত। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিও বাড়ে।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে।