শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:১৭:৫৫

অমানুষদের একটা জায়গা হয়ে গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: এমপি ফজলুর রহমান

অমানুষদের একটা জায়গা হয়ে গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: এমপি ফজলুর রহমান

এমটিনিউজ ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান। তিনি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার কী আছে? সেখানে কারও ভর্তি হওয়া উচিত নয়। তার ভাষায়, ‘এটা তো একটা মাদরাসা, সিনিয়র মাদরাসা। অমানুষদের একটা জায়গা হয়ে গেছে এটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে কী দরকার?’

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব মন্তব্য করেন তিনি। বক্তব্যের একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়েও পড়েন বিভিন্ন সময়ে আলোচিত-সমালোচিত বক্তব্য দিয়ে সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হওয়া এই রাজনীতিক।

ফজলুর রহমান পেশায় একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা। তবে রাজনৈতিক জীবনের একপর্যায়ে তিনি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরগঞ্জ জেলায় মুজিব বাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এ ছাড়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বেও ছিলেন এই রাজনীতিক।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এটা কি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান? কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম দিয়েছে পাকিস্তানের। আজকে যাই হোক সেই দিনের আন্দোলনের কথাই আমি বলছি। যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম দিয়েছে শিক্ষায় মুক্তি সেই ১৯২৭ সন, ১৯২৮ সন, ১৯২৯ সন, ১৯৩০ সন, আব্দুল ওহাব, আবুল হোসেনসহ সমস্ত কবি-সাহিত্যিক যারা ছিল। তাদের জন্ম দিয়েছে এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের জন্ম দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম দিয়েছে সেই মুজাফর আহমদ চৌধুরীদের মত লোক। নীলিমা ইব্রাহিমদের মত লোক, ড. নাজমা চৌধুরীর মত লোক। যত আছে সেই আহমদ শরীফদের মত লোক হুমায়ন আজাদদের মত লোক, হুমায়ন আহমদদের মত লোক।

তিনি বলেন, সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন স্বাধীনতা বিরোধী অমানুষদের একটা কারখানা। কি দরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসারি করা? যে বিশ্ববিদ্যালয়ে গোলাম আজম, নিজামীর ছবি টাঙানো হয়, এরাই নাকি জাতির নেতা। সেই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তো চিন্তাই করি না আমি।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে।