শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ০৯:২৫:১৮

তবে কী আবারও হবে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল খেলা? যা জানা গেল

তবে কী আবারও হবে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল খেলা? যা জানা গেল

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হয়েছে কয়েক দিন আগেই। কিন্তু স্পেন-আর্জেন্টিনা ম্যাচের রেফারিং ও ভিএআরের বিতর্ক এখনো থামেনি। অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তোরেসের একমাত্র গোলে স্পেনের ১-০ ব্যবধানের জয়ের পর ক্ষুব্ধ একদল আর্জেন্টাইন সমর্থক ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে অনলাইন পিটিশন শুরু করেন।

এরই মধ্যে সেই পিটিশনে স্বাক্ষরের সংখ্যা ৮৮ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে ক্রীড়া আইনের দৃষ্টিতে এই উদ্যোগের বাস্তব প্রভাব প্রায় নেই বললেই চলে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম Change.org-এ আর্জেন্টাইন সমর্থক গিসেলা সানচেজ এই পিটিশন চালু করেন। সেখানে ফিফার কাছে ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালের রেফারি স্লোভেনিয়ার স্লাভকো ভিনচিচের সিদ্ধান্ত এবং ভিএআরের কয়েকটি মুহূর্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে।

আবেদনকারীদের অভিযোগ, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত খেলাটির ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত বা প্রমাণিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।

সর্বশেষ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পিটিশনটিতে ইতোমধ্যে ৮৮ হাজারের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। কয়েক ঘণ্টা আগেও স্বাক্ষরের সংখ্যা ছিল ৮০ হাজারের কিছু বেশি, যা দ্রুত বেড়েছে।

তবে স্বাক্ষরের সংখ্যা বাড়লেও ফিফার ওপর এর কোনো বাধ্যতামূলক প্রভাব নেই। অনলাইন পিটিশন ফিফাকে কোনো ম্যাচ পুনরায় আয়োজন বা ফল পরিবর্তনে বাধ্য করতে পারে না। ফিফার প্রতিযোগিতা বিধিমালা অনুযায়ী, শুধুমাত্র প্রতিযোগিতার নিয়মের গুরুতর লঙ্ঘন বা সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্তৃপক্ষের বিশেষ সিদ্ধান্তের মতো ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতেই কোনো ম্যাচ পুনরায় আয়োজনের প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই এই পিটিশনের ভিত্তিতে স্পেন-আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনাল আবার হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই।

বিশ্বকাপ চলাকালে এ ধরনের অনলাইন আন্দোলন অবশ্য এবারই প্রথম নয়। স্পেন-ফ্রান্স সেমিফাইনালের পরও ম্যাচ পুনরায় আয়োজনের দাবিতে একটি পৃথক পিটিশন চালু হয়েছিল।

সেটিও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সমর্থন পেলেও ফিফা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল নিয়ে চলমান এই পিটিশনের ক্ষেত্রেও একই পরিণতি হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে