স্পোর্টস ডেস্ক : মৃত্যুর আগে দিয়েগো ম্যারাডোনা ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়েছিলেন নিজেকে। নাওয়া-খাওয়া করতেন না। বিছানা থেকে উঠতেন না। নিজের প্রতি চরম অনীহায় জীবনের প্রতি যেন বিতৃষ্ণ হয়ে উঠেছিলেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার।
২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় ম্যারাডোনার। তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। ম্যারাডোনার চিকিৎসায় নিয়োজিত ডাক্তার, সেবিকা এবং অন্যদের মধ্যে ছিলেন এক স্বাস্থ্যকর্মী।
তার কথায় উঠে এসেছে আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তির শেষ সময়ের দিনগুলোর কথা। তার বাবার চিকিৎসা যথাযথ হয়নি, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ এনে মামলা ঠুকে দিয়েছেন ম্যারাডোনার মেয়ে দালমা।
মামলার শুনানি চলছে। বৃহস্পতিবার বুয়েন্স এইরেসের আদালতে ওই স্বাস্থ্যকর্মী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মৃত্যুর আগেরদিন আমি ম্যারাডোনাকে খেতে ডেকেছিলাম। কিন্তু খাবারে অরুচির কথা বলে ম্যারাডোনা বলেন, ‘ইয়া এস্তা।’ মানে, ‘সব শেষ।’
পরেরদিন সত্যিই ‘সব শেষ’ হয়ে যায়। পরপারে পাড়ি জমান আর্জেন্টিনার ফুটবল জাদুকর। চিকিৎসায় অবহেলার দরুন বাবার মৃত্যু হয়েছে, ম্যারাডোনা-তনয়া ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনে মামলা ঠুকে দিয়েছেন। দোষী সাব্যস্ত হলে ২৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে ম্যারাডোনার চিকিৎসকদের।