স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের জনপ্রিয়তার কারণে বাড়ছে টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সংখ্যা। যার প্রভাব পড়তে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচিতেও। যা একইসঙ্গে ওয়ানডে ফরম্যাটের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে। তবে আলোচনা চলছে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে হারিয়ে যাওয়া ত্রিদেশীয় কিংবা চারজাতি সিরিজ ফিরিয়ে আনা যায় কি না!
পরবর্তী ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম (এফটিপি) নিয়ে আলোচনায় বসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে দুবাইয়ে একটি কর্মশালায় অংশ নেবেন আইসিসির সদস্যরা। সেখানে ২০২৭ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত পরবর্তী চক্রে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সূচির কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে।
আজ (মঙ্গলবার) থেকে আইসিসি ক্রিকেট অপারেশন্সের এই কর্মশালা শুরুর কথা। যেখানে এফটিপি নিয়ে আলোচনা হবে। বর্তমান এফটিপি চক্রের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মার্চে। সম্প্রতি বেশ কিছু অগ্রগতি হলেও এবারের বৈঠকেই চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ এফটিপি তৈরি হবে না। আইসিসির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখনও অনেক কিছুই পরিবর্তনশীল অবস্থায় রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরবর্তী চক্রে পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা বাড়তে পারে। এর বিনিময়ে কমতে পারে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে। কারণ এক বছরে সব ধরনের ক্রিকেটের জন্য পর্যাপ্ত সময় বের করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। যদিও পরবর্তী বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় ১৪টি দেশ নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ।
বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টিকে আইসিসি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে দেখছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও প্রতি ২ বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ হয় ৪ বছর পরপর। নামিবিয়া ক্রিকেটের চেয়ারম্যান এবং সম্প্রতি আইসিসি বোর্ডের পরিচালক হওয়া রুডি ভ্যান ভুরেনও সম্প্রতি বলেছেন, টি-টোয়েন্টিতে সহযোগী সদস্য দেশগুলোর জন্য আরও সুযোগ রয়েছে।
তবে এর মানে ওয়ানডে ক্রিকেটের গুরুত্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে না। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ এখনও আইসিসির সবচেয়ে বড় আয়োজন। তবে ফরম্যাটটিকে আরও অর্থবহ করে তোলার বিষয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। ওয়ানডে সুপার লিগ ফিরিয়ে আনার পরিবর্তে ১৯৯০-এর দশকের কিছু পুরোনো ধাঁচ– যেমন ত্রিদেশীয় ও চারজাতি সিরিজ ফিরিয়ে আনার আলোচনা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো।