বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৫:২২

ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবার এক ম্যাচেই খেলোয়াড়, কর্মকর্তাসহ ৫৩ জনকে বহিষ্কার

 ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবার এক ম্যাচেই খেলোয়াড়, কর্মকর্তাসহ ৫৩ জনকে বহিষ্কার

স্পোর্টস ডেস্ক : ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবার এক ম্যাচেই খেলোয়াড়, কর্মকর্তাসহ ৫৩ জনকে বহিষ্কার করেছেন রেফারি। এমন ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের একটি খেলায়। এক ম্যাচে যা সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখানোর বিশ্বরেকর্ড। এর আগে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৩৬টি লাল কার্ড দেখানোর নজির ছিল।

রোববার মিনাস জেরাইস অঞ্চলে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালের প্রথম লেগে মুখোমুখি হয়েছিল মামোরে ও উবেরলান্দিয়া। মামোরে ৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক মারামারি শুরু হয়। দ্রুতই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় পরিস্থিতি। 

ম্যাচ রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিকের প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, ঘটনার পরবর্তী সময়ে ৪০ খেলোয়াড় ও আট কর্মকর্তাকে লাল কার্ড দেখানো হয়। এর আগে ম্যাচ চলাকালেই আরও তিনজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেছিলেন। এ ছাড়া উবেরলান্দিয়ার পরিচালনা পর্ষদের দুই সদস্যকেও বহিষ্কার করা হয়। সব মিলিয়ে বহিষ্কৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৩।

উভয়পক্ষের মারামারির কারণে প্রায় ৪০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। পরে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। ম্যাচ শেষে দুই দলের বিরুদ্ধেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, উবেরলান্দিয়ার কর্মকর্তারা মামোরের সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। অন্যদিকে মামোরের দলের সদস্যরা স্বাগতিক দলের ড্রেসিংরুমে ভাঙচুর চালিয়েছেন।

তবে রেফারির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মামোরের তৃতীয় গোল উদ্‌যাপনের সময় প্রতিপক্ষের ডাগআউটের দিকে বিদ্রূপাত্মক অঙ্গভঙ্গি করেন দলটির ফুটবলার দাভি। এরপর উবেরলান্দিয়ার গোলরক্ষক কোচ পাওলো সার্জিও দিয়াস দোস সান্তোস তাকে মোকাবিলা করতে মাঠে ঢুকে পড়েন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত। সংঘর্ষের সময় বিভিন্ন ব্যক্তি হত্যাসহ নানা ধরনের সহিংসতার হুমকি দেন বলে জানান রেফারি। এ ঘটনায় পরবর্তীতে তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছেন।

এর আগে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের ম্যাচে অ্যাতলেটিকো ক্লায়পোলে ও ভিক্তোরিয়ানো আরেনাসের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। যা ছিল এতদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ কার্ড দেখার গিনেজ রেকর্ড।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে।