উপজেলার গফরগাঁও ও পাগলা থানা এলাকায় অন-ত ৬০টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, গত ১৫ দিনে উপজেলার চরআলগী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ৩৩টি গরু চুরি হয়েছে। এছাড়াও পাইথল ইউনিয়নের পাইথল গ্রাম থেকে এক রাতে ৬টি, রসুলপুর ইউনিয়নে ২ রাতে ৫টি, পাঁচবাগ ইউনিয়নের চরশাখচূড়া গ্রামে ৩টি গরু সহ অন-ত ৬০টি গরু চুরি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চরআলগী ইউনিয়নের চরমছলন্দ মাইজপাড়া গ্রামের আঃ মজিদের ৩টি, সুলতানের ৩টি, কাছু মিয়ার ২টি, ফারুকের ২টি, নিজামের ২টি, সাবেক ইউপি সদস্য জোসনার ২টি, ফালানের ২টি, রশিদ খাঁর ২টিসহ ৩৩টি, পাইথল ইউনিয়নের পাইথল গ্রামে এক রাতে সবুরের ২টি, সালামের ১টি, গফুরের ১টি, রফিকের ১টি ও রাজ্জাকের ১টি, অপর রসুলপুর ইউনিয়নে ২রাতে ৫টি, গফরগাঁও ইউনিয়নের হাতিখলা, আটবাড়িয়া ও পড়শী পাড়া গ্রামে ৩টি ও পাঁচবাগ ইউয়িনের চরশাখচূঁড়া ২টি ও দীঘিরপাড় গ্রামে ১টি গরুসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অন-ত ৭০টি চুরির ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে গরু চুরি
বন্ধে পুলিশ নির্বিকার।
চরআলগী ইউপির সংরক্ষিত সাবেক ইউপি সদস্য জোসনা বেগম জানান, প্রতিদিন কোন না কোন গ্রামের গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। একের পর এক গরু চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে গোয়াল
ঘরে গরুর সাথে অবস্থান করেও চুরি ঠেকাতে পারছে না। পাইথল ইউনিয়নের কৃষক আব্দুছ ছালাম জানান, গরু চুরি ঠেকাতে
দলবদ্ধভাবে রাত জেগে পাহাড়া দিয়েও চুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। চুরি যাওয়া প্রতিটি গরুর মূল্যে ৩৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা।
গফরগাঁও থানার ওসি আবু ওবায়দা খান বলেন, চরআলগী ইউনিয়নে গরু চুরির ঘটনায় ২টি মামলা হয়েছে।
এছাড়া গরু চুরির কোন তথ্য নেই।
তবে উপজেলার পাগলা থানার ওসি বদরুল আলম খান বলেন, পাইথল ইউনিয়নে গরু বর্গা দিয়ে ভাগ দিতে হবে এ চিন্তা করে মালিক রাতের আধারে গরু নিয়ে গেছে। নিগুয়ারী ইউনিয়নে দুটি গরু চুরির খবর পেয়েছি তবে পাঁচবাগ ইউনিয়নে কোন গরু চুরি হয়নি।
২৯ আগস্ট, ২০১৫/এমটিনিউজ২৪/ প্রতিনিধি/এইচএস/কেএস